ফের বাড়লো চাল-ডাল-আটা-ময়দার দাম

ঢাকা, সোমবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২২ | ১১ মাঘ ১৪২৮

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

ফের বাড়লো চাল-ডাল-আটা-ময়দার দাম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
🕐 ১:১৮ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৭, ২০২১

ফের বাড়লো চাল-ডাল-আটা-ময়দার দাম

নিত্যপণ্যের দাম কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না। এ সপ্তাহে নতুন করে বেড়েছে চাল, ডাল, আটা, ময়দাসহ ১০ ধরনের নিত্যপণ্যের দাম। সামান্য কমেছে ডিম, ব্রয়লার মুরগি ও সবজির দাম। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

 

ব্যবসায়ীরা বলছেন, এ সপ্তাহে সরু চালের দাম বেড়েছে কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা। গত সপ্তাহে যে চাল ৬৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে, এ সপ্তাহে সেই চাল বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা। আলুর দাম কেজিতে ২ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২৬ টাকা। খোলা আটা কেজিতে ৩ টাকা বেড়ে ৩৮ টাকা বিক্রি হচ্ছে। প্যাকেট আটার দাম বেড়েছে কেজিতে ২ টাকা। ময়দার দাম কেজিতে ৫ টাকা বেড়ে ৫৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

টিসিবির তথ্যমতে, প্যাকেট ময়দার দাম কেজিতে বেড়েছে ৭.১৮ শতাংশ। গত এক সপ্তাহে দাম বেড়েছে ৯টি নিত্যপণ্যের। এর মধ্যে প্রতি কেজি আদা ও তেজপাতার দাম বেড়েছে প্রায় ২০ শতাংশ। অর্থাৎ দেড়শ টাকার তেজপাতা ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর ১২০ টাকা কেজি আমদানি করা আদা বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া গত সপ্তাহের ১০৫ টাকা কেজির মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকা কেজি দরে।

মোহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা জামাল উদ্দিন বলেন, যেভাবে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে, তাতে সীমিত আয়ের মানুষের জীবন চালানো কষ্টকর। বাজারে সরকারের মনিটরিং সেল ঠিকমতো কাজ করলে জিনিসপত্রের দাম এতটা বাড়ত না।

কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সবজি বাজারে। কিছুদিন আগে দেড়শ টাকার ওপরে কেজি বিক্রি হওয়া শিম এখন ৩০ থেকে ৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। তবে ফুলকপি ও বাঁধাকপির দাম এখনও বেশ চড়া। এর সঙ্গে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে পাকা টমেটো ও গাজর। মানভেদে গাজরের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ১০০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১০০ থেকে ১২০ টাকা। আগের মতোই চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে পাকা টমেটো। গত সপ্তাহের মতো পাকা টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০-১৬০ টাকা। আর আর কাঁচা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি। পটলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা। বরবটির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা। ফুলকপির পিস ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং বাঁধাকপির পিস ৩০ থেকে ৪০ টাকা। ঝিঙের কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা। করলা ৬০ থেকে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ থেকে ৫০ টাকা, কাঁচকলার হালি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। লালশাকের আঁটি ১০ থেকে ১৫ টাকা, মুলাশাকের আঁটি ১০ থেকে ১৫ টাক বিক্রি হচ্ছে। আর পালংশাকের আঁটি বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা। পাকিস্তানি কক ও সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৯০ থেকে ৩২০ টাকা। গত সপ্তাহের মতো ফার্মের মুরগির ডিমের ডজন ১১৫ থেকে ১২০ টাকা। আর পেঁয়াজের কেজি গত সপ্তাহের মতো ৫০ থেকে ৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

রুই মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকা। একই দামে বিক্রি হচ্ছে কাতল মাছ। শিং মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। শোল মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা। তেলাপিয়া ও পাঙাশ মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা। এক থেকে দেড় কেজি ওজনের ইলিশ মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা।

 
Electronic Paper