মেলার সব সুবিধা আয়কর অফিসে

ঢাকা, সোমবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২১ | ৫ মাঘ ১৪২৭

মেলার সব সুবিধা আয়কর অফিসে

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক ১২:০২ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ১২, ২০২০

print
মেলার সব সুবিধা আয়কর অফিসে

করোনার কারণে এ বছর জাতীয়ভাবে ও বড় আকারে আয়কর মেলা হচ্ছে না। তবে মেলার সব সুযোগ-সুবিধাই পাওয়া যাচ্ছে আয়কর অফিসে। করদাতাদের উপস্থিতি তুলনামূলক কম হলেও ভোগান্তির কোনো অভিযোগ নেই। সহজেই করদাতারা আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারছেন। আয়কর অফিস থেকে করদাতাদের দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের তথ্য সেবাও।

এবার এনবিআরের মাধ্যমে ঢাকাসহ দেশের প্রতিটি কর অঞ্চলে উৎসব মুখর পরিবেশে রিটার্ন জমা নেওয়া হচ্ছে। করদাতাদের মধ্যে অনেকেই ভোগান্তি ও করোনার সংক্রমণ এড়াতে বিকাশ, নগদ, রকেট, ইউক্যাশসহ ছয়টি মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে কর পরিশোধ করতে পারছেন। অর্থাৎ আয়কর মেলার আদলে কর অফিসেই করদাতারা পাচ্ছেন ‘ওয়ানস্টপ’ সেবা। তবে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার পাশাপাশি মাস্ক পরিধান বাধ্যতামূলক করেছে কর অফিসগুলো।

প্রসঙ্গত, গত ১০ বছর পর এবারই প্রথমবারের মতো জাতীয়ভাবে আয়কর মেলা হচ্ছে না। তবে মেলার আবহে কর অঞ্চল ও সার্কেলে কর সেবা সপ্তাহ পালন করা হচ্ছে। তাতে করদাতারা রিটার্ন দাখিলসহ সব ধরনের সেবা পাচ্ছেন। রাজধানীর কয়েকটি কর অঞ্চল ঘুরে দেখা যায়, বেশির ভাগ কর অঞ্চলে মেলার আদলে আলাদা আলাদা বুথে রিটার্ন দাখিল, ই-টিআইএন নিবন্ধনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। করদাতা, সেবাগ্রহীতা ও কর্মকর্তাদের সংস্পর্শ এড়াতে করোনা প্রতিরোধী বুথ স্থাপন করা হয়েছে।

করদাতাদের মাস্ক পরিধান ছাড়া সেবা দেওয়া হচ্ছে না। বুথে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারাও সংক্রমণ রোধে মুখে মাস্ক, হ্যান্ডগ্লাভস পরিধান করে সেবা দিচ্ছেন। যেসব কর অঞ্চলে বুথ করার জায়গা নেই সেখানে প্রতিটি সার্কেলে কর তথ্য ও সেবা কেন্দ্র খোলা হয়েছে। করোনা সংক্রমণ রোধে আগত করদাতাদের দেওয়া হচ্ছে হ্যান্ডওয়াশ, স্যানিটাইজার। রিটার্ন জমা দেওয়ার পরপরই দ্রুত স্থান ত্যাগ করতে বলা হচ্ছে।

কর অফিসগুলো থেকেই বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে রিটার্ন ফরম, চালান ফরম, আয়কর পরিপত্র ও নির্দেশিকা। অফিসগুলোতে সিসি ক্যামেরায় সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হচ্ছে সমস্ত কাজ। কমিশনার থেকে শুরু করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বুথ পরিদর্শন ও সেবায় যাতে বিঘœ না ঘটে তার তদারকি করছেন।

কর কমিশনার মো. আবদুল মজিদ বলেন, মেলার আদলে কর অফিসেই করদাতাদের সব ধরনের সেবা দেওয়া হচ্ছে। করোনা সংক্রমণ রোধে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে সেবা গ্রহণে করদাতাদের এবং সেবা প্রদানে কর্মকর্তাদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। করদাতার সংখ্যা বাড়ছে বলেও জানান তিনি।