দাম কমেছে সবজি-মাছ মুরগি ও আদা-রসুনের

ঢাকা, শনিবার, ৩০ মে ২০২০ | ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

দাম কমেছে সবজি-মাছ মুরগি ও আদা-রসুনের

নিজস্ব প্রতিবেদক ১১:২০ অপরাহ্ণ, মে ০৮, ২০২০

print
দাম কমেছে সবজি-মাছ মুরগি ও আদা-রসুনের

রোজার শুরুতে নিত্যপণ্যের দাম বাড়লেও বর্তমানে অনেক পণ্যের দাম কমেছে। পাঁচ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত কমেছে সবজির দাম। কমেছে ধনিয়া ও পুদিনা পাতা এবং লেবুর দাম। নিম্নমুখী ভাব মাছ ও মুরগির বাজারেও। সবচেয়ে বেশি কমেছে আদার দাম। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে মসলা জাতীয় এ পণ্যের দাম কমেছে ৫০ টাকা পর্যন্ত।

একই সঙ্গে কমেছে রসুন ও পেঁয়াজের দাম। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, পল্টন, মতিঝিল, শান্তিনগর, মালিবাগ, খিলগাঁওসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে এসব চিত্র দেখা গেছে। বাজারে সবজিভেদে পাঁচ থেকে ১০ টাকা পর্যন্ত দাম কমেছে। দাম কমে প্রতিকেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা, করলা ৩০ থেকে ৪০ টাকা, উস্তা ৪০ টাকা, গাজর বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা, পেঁপে ২০ থেকে ৩০ টাকা, কচুর লতি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, বড় কচু ৪০ থেকে ৫০ টাকা, মুলা ৩০ টাকা, চিচিঙ্গা-ধুন্দল-ঝিঙা ৪০ টাকা, বেগুন (প্রকারভেদে) ৪০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

শসা, লেবু, ধনিয়া পাতা, পুদিনা পাতা ও লেবুর দাম কমেছে। সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা কমে শসা পৃষ্ঠা ২ কলাম ২
দাম কমেছে সবজি-মাছ

বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে, কেজিতে ২০ টাকা কমে প্রতি কেজি ধনিয়া পাতা বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা, কেজিতে ৪০ টাকা কমে পুদিনা পাতা বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি দরে। আর হালিতে ২০ টাকা কমে প্রতি হালি ছোট লেবু ১০ থেকে ১৫ টাকা, বড় সাইজের লেবু ২০ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এসব বাজারে প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা, প্রতি পিস বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ টাকা, বাধাকপি (গ্রিন) ৫০ টাকা, প্রতি হালি কাঁচা কলা ২০ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। দাম কমেছে শাকের বাজারেও। প্রতি আঁটি (মোড়া) কচুশাক ৫ থেকে ৭ টাকা, লালশাক ১০ টাকা, মুলা ১৫ টাকা, পালং শাক ১৫ টাকা, লাউ ও কুমড়া শাক ২০ থেকে ৩০ টাকা, পুঁইশাক ১৫ থেকে ২০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে।

তবে বাজারে গরু ও খাসির মাংসের দাম না কমলেও কমেছে মুরগির দাম। বাজারে আগের বাড়তি দামেই বিক্রি হচ্ছে গরু ও খাসির মাংস। গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকা, মহিষের মাংস ৬০০ টাকা, খাসির মাংস ৮০০ টাকা, বকরি ৭৫০ টাকা কেজি দরে। পাঁচ থেকে ১০ টাকা কমে প্রতি কেজি বয়লার বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১২৫ টাকা কেজি দরে, কেজিতে ২০ টাকা কমে প্রতি কেজি লেয়ার ২০০ টাকা, সাদা লেয়ার ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা। কেজিতে ৩০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত কমে প্রতি কেজি সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা, প্রতি কেজি দেশি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৫০০ টাকা কেজি দরে। দাম কমেছে ডিমের বাজারে। পাঁচ টাকা কমে প্রতি ডজন লাল ডিম বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকা, ডজনে ১০ টাকা কমে দেশি মুরগি ডিম ১৪০ টাকা, প্রতি ডজন সোনালী মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২০, হাঁসের ডিম ১১০ থেকে ১২০ টাকা, কোয়েরের ডিম প্রতি ১০০ পিস ১৮০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

দাম কমেছে মাছের বাজারে। ১০ থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত কমে এসব বাজারে প্রতি কেজি কাঁচকি ৩০০ টাকা কেজি দরে, মলা ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা, ছোটপুঁটি (তাজা) ৫০০ টাকা, শিং (আকারভেদে) ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, পাবদা ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা, চিংড়ি (গলদা) ৪০০ থেকে ৭৫০ টাকা, বাগদা ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা, হরিণা ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, দেশি চিংড়ি ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা, রুই (আকারভেদে) ২৩০ থেকে ৩৫০ টাকা, মৃগেল ২০০ থেকে ৩০০ টাকা, পাঙ্গাস ১৩০ থেকে ১৮০ টাকা, তেলাপিয়া ১৫০ থেকে ১৮০ টাকা, কৈ ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা, কাতল ২০০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। বাজারে নতুন ইলিশের আগমনের দাম কমেছে ইলিশের। প্রতি এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ৯৫০ থেকে ১০০০ টাকা, ৭৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশ ৭০০ টাকা থেকে ৭৫০, ছোট ইলিশ আকারভেদে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি দরে।

রমজানের শুরুতে প্রতি কেজি আদা ৩০০ টাকা ছাড়িয়ে গেলেও এখন তা বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে। দাম কমেছে রসুন ও পেঁয়াজের বাজারেও। বর্তমানে প্রতি কেজি রসুন বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা, চায়না রসুন ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে। প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে (মানভেদে) ৪৫ থেকে ৫০ টাকা। বাজারে খোলা সয়াবিন (লাল) বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকা লিটার,

খোলা সাদা সয়াবিন বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা লিটার। অপরিবর্তিত রয়েছে সরিষার তেল। খোলা সরিষার তেল বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা লিটার।
এসব বাজারে প্রতি কেজি মিনিকেট (নতুন) চাল বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা, মিনিকেট পুরান ৬৫ টাকা, বাসমতি ৬৫ থেকে ৬৬ টাকা, প্রতি কেজি আটাশ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৬ টাকা, এক সিদ্ধ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪২ টাকা, পাইজাম ৪২ টাকা, প্রতি কেজি পোলাও চাল বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজি দরে। বাজারে প্রতি কেজি ডাবরি ডাল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, অ্যাঙ্কার ৫০ টাকা, প্রতি কেজি দেশি মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা, মসুর (মোটা) ৯০ টাকা। প্রতি কেজি এলাচ বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০০ থেকে ৫ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে, জয়ত্রী বিক্রি হচ্ছে ৩৫০০ থেকে ৩৬০০ টাকা কেজি দরে। জায়ফল প্রতি কেজি বর্তমান বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকা।