এসএমই নীতিমালা বাস্তবায়নে ওয়ার্কিং কমিটি চূড়ান্ত

ঢাকা, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৮ আশ্বিন ১৪২৭

এসএমই নীতিমালা বাস্তবায়নে ওয়ার্কিং কমিটি চূড়ান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক ১২:২৯ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২০

print
 এসএমই নীতিমালা বাস্তবায়নে ওয়ার্কিং কমিটি চূড়ান্ত

দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উন্নয়নে এসএমই নীতিমালা ২০১৯-এ গৃহীত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে নীতিমালার অধীনে ওয়ার্কিং কমিটি চূড়ান্ত করেছে জাতীয় এসএমই উন্নয়ন পরিষদ। এ সময় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উদ্যোক্তারা যাতে সহজে আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ পেতে পারেন, সেজন্য ঋণ বিতরণ পদ্ধতি সহজ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

সম্প্রতি শিল্প মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পরিষদের সভাপতি শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় এটি চূড়ান্ত হয়। শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদারসহ কমিটির সদস্যরা সভায় বক্তৃতা করেন। সভায় এসএমই শিল্পের উন্নয়নে শিল্প সচিবের সভাপতিত্বে গঠিত টাস্কফোর্স কমিটির সভায় গৃহীত ১১টি স্বল্পমেয়াদি কার্যক্রমের ওপর বিস্তারিত আলোচনা করা হয় এবং এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

শিল্পমন্ত্রী বলেন, সারা দেশের ৭৮ লাখ ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোক্তা নিজেদের জন্য আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি অন্যের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে। এ খাতের উদ্যোক্তারা শতভাগ সততার সঙ্গে কাজ করছে। তাদের জন্য ঋণ সুবিধা নিশ্চিত করা হলে দেশের অর্থনীতিতে এসএমই খাত আরো শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারবে।

ব্যাংকগুলোকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের স্বার্থ বিবেচনার আহ্বান জানান শিল্পমন্ত্রী। পাশাপাশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তাদের জামানতের সক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনা না করে তাদের পারফরম্যান্স বিবেচনা করে ঋণ প্রদানের জন্য ব্যাংকগুলোর প্রতি অনুরোধ জানান তিনি। সভায় শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার বলেন, শুধু ঢাকা ও চট্টগ্রামের মতো বড় শহরে ঋণ বিতরণ কার্যক্রম সীমাবদ্ধ না রেখে সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য ঋণপ্রাপ্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। গ্রামকে শহরে পরিণত করতে স্থানীয় কাঁচামালভিত্তিক শিল্পের বিকাশে সেখানে অবস্থিত ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পগুলোর জন্য পর্যাপ্ত ঋণ সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

এসএমই শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ পরিশোধের হার শতভাগ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে ঋণ দেয়া হলে ব্যাংকগুলো বেশি লাভবান হবে।