বরাদ্দ বাড়াতে চায় বাংলাদেশ ব্যাংক

ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২০ | ১৭ চৈত্র ১৪২৬

দীর্ঘমেয়াদি ঋণে সুফল

বরাদ্দ বাড়াতে চায় বাংলাদেশ ব্যাংক

জাফর আহমদ ১০:১৪ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২০

print
 বরাদ্দ বাড়াতে চায় বাংলাদেশ ব্যাংক

দীর্ঘমেয়াদি ঋণ বিতরণের জন্য বাড়তি ৩১৫ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ জন্য আগের বরাদ্দ ২৪৩ কোটি ৩০ লাখসহ মোট ৫৫৮ কোটি ৫৯ লাখ টাকা চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে বরাদ্দের প্রস্তাব করেছে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইনান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং বিভাগ থেকে চিঠি লেখা হয়েছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ফাইনান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় উৎপাদনশীল খাতে বৈদশিক মুদ্রায় দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। প্রকল্প তহবিলের পরিমাণ ২ হাজার ৯৯৯ কোটি ৬৯ লাখ টাকা।

মোট প্রকল্প ব্যয় ৩ হাজার ৩৯৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে এই কম্পোনেন্টের তহবিলের পরিমাণ ১ হাজার ৯৮৮ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়ন ৪১১ কোটি ৭৫ লাখ টাকাসহ বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী ডিসেম্বর পর্যন্ত ২৪৩ কোটি ৫৩ লাখ টাকা ব্যয় হওয়ার ফলে অবশিষ্ট রয়েছে ৩১৫ কোটি ৬ লাখ টাকা।

তথ্য অনুযায়ী চলমান প্রকল্পের আওতায় ৫৩টি শিল্পে বৈদেশিক মুদ্রায় ২৮০ মার্কিন মিলিয়ন ডলারের মধ্যে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত ২৩৬ দশমিক ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ প্রস্তাব করা হয়েছে এবং বিতরণও ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এ কারণে সংশোধিত বাজেটে ৫৫৮ কোটি ৫৯ লাখ বরাদ্দের প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

জানা গেছে, সুদ হার কম হওয়ায় এ ঋণের চাহিদা রয়েছে। যে সব ব্যাংকের এসএমই ও রপ্তানি শিল্পে ঋণ বিতরণে সুনাম আছে সে সব ব্যাংককে এ ঋণ বিতরণ করতে দেওয়া হয়েছে। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবিএল), ঢাকা ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক, এক্সপোর্ট ইমপোর্ট ব্যাংক অব বাংলাদেশ (এক্সিম), ডাচ-বাংলা ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, সাউথ-ইস্ট ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকসহ ১৯টি বাণিজ্যিক ব্যাংক এ ঋণ বিতরণ করছে।

উদ্যোক্তাদের এ তহবিল থেকে ৫, ৭ ও ১০ বছর মেয়াদে বৈদেশিক মুদ্রায় ঋণ দেওয়া হয়ে থাকে। এই ঋণের অর্থ দিয়ে শিল্পের যন্ত্রপাতি আমদানি ও অবকাঠামো নির্মাণ করা হচ্ছে।