নতুন জনবল পাচ্ছে বিএসইসি

ঢাকা, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯ | ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

নতুন জনবল পাচ্ছে বিএসইসি

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক ৫:৫০ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৯, ২০১৯

print
নতুন জনবল পাচ্ছে বিএসইসি

জনবল কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি)। অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ সংস্থাটিতে ১৮০টি নতুন পদ সৃজন করার অনুমতি দিয়েছে। এসব পদে জনবল নিয়োগ হওয়ার পর সংস্থাটির জনবল দ্বিগুণ ছাড়িয়ে যাবে। অর্থমন্ত্রণালয় ও বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। নতুন জনবল কাঠামোর অনুমোদন দিয়ে গত ১৬ অক্টোবর আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ বিএসইসির বিদ্যমান পদের অতিরিক্ত সৃষ্ট ২০৫টি পদের বিপরীতে ১৮০ পদে জনবল নিয়োগের জন্য একটি চিঠি ইস্যু করে। এ দিনই ই-মেইলে বিএসইতে চিঠির সফটকপি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আর গত বৃহস্পতিবার পাঠানো হয় এর হার্ড কপি। যোগাযোগ করা হলে বিএসইসির চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন গণমাধ্যমকে নতুন জনবল নিয়োগ সংক্রান্ত চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, অনুমোদিত পদগুলোতে জনবল নিয়োগ হওয়ার পর বিএসইসির সক্ষমতা অনেক বাড়বে। বাজার ও অর্থনীতির উন্নয়নে সংস্থাটি আরও বেশি ভূমিকা রাখতে পারবে।

উল্লেখ, নতুন সৃজিত বিভিন্ন পদের মধ্যে নির্বাহী পরিচালক ও পরিচালকের ২টি করে পদ রয়েছে। বর্তমানে সংস্থাটিতে ৯জন নির্বাহী পরিচালক ও ১৪ জন পরিচালক রয়েছেন। সম্পূর্ণ নতুনভাবে সৃজন করা হয়েছে অতিরিক্ত পরিচালক ও যুগ্ম পরিচালকের পদ। নতুন কাঠামোতে অতিরিক্ত পরিচালকের ২৪টি ও যুগ্ম পরিচালকের ২৯টি পদ রয়েছে। উপ-পরিচালকের বিদ্যমান ২৫টি পদের বিপরীতে নতুন করে আরও ৪১টি পদন সৃজন করা হয়েছে। সংস্থাটিতে নতুন করে একজন জনসংযোগ কর্মকর্তাসহ সহকারী পরিচালক নিয়োগ করা হবে ৫০ জন। বর্তমানে সংস্থাটিতে সহকারী পরিচালকের ৩৫টি পদ রয়েছে। বর্তমানে বিএসইসির জনবল সংখ্যা মাত্র ১৬৪ জন। গত কয়েক বছরে বাজারের আকার, তালিকাভুক্ত কোম্পানির সংখ্যা, মার্চেন্ট ব্যাংক ও অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিসহ মধ্যবর্তী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা অনেক বাড়লেও এর জনবল বাড়ানো হয়নি।

ফলে বিশাল এই বাজার নিয়ন্ত্রণে বিএসইসিকে হিমসিম খেতে হয়েছে। এত স্বল্পসংখ্যক জনবল দিয়ে প্রায় দেড় হাজার প্রতিষ্ঠান দেখভাল করা ছিল অনেক দুরূহ। পরিবর্তিত পরিস্থিতির আলোকে বিএসইসির নতুন অর্গানোগ্রাম বা জনবল কাঠামো অনুমোদন ও নতুন পদে লোক নিয়োগে বিএসইসির দেওয়া একটি প্রস্তাবনা গত ৭ বছর ধরে ঝুলে ছিল। পরে এ প্রস্তাবনাকে মন্ত্রণালয় থেকে ওই মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। একপর্যায়ে বিএসইসির বর্তমান চেয়ারম্যান ড. এম খায়রুল হোসেন ব্যক্তিগতভাবে বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শরণাপন্ন হন। আর তাতেই শেষ পর্যন্ত জট খুলে গেছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও তিনি এবং একাধিক কমিশনার ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে তদ্বির করেছেন।