বিদ্যুৎ প্রকল্পে ৩১৪ কোটি টাকা সাশ্রয়

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৪ আশ্বিন ১৪২৬

বিদ্যুৎ প্রকল্পে ৩১৪ কোটি টাকা সাশ্রয়

নিজস্ব প্রতিবেদক ১:৫৩ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ০৯, ২০১৯

print
বিদ্যুৎ প্রকল্পে ৩১৪ কোটি টাকা সাশ্রয়

দেশের সব বাড়িতে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিতের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ পরিকল্পনার আওতায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (পবিবো) মাধ্যমে বিদ্যুৎহীন গ্রামীণ ও প্রান্তিক এলাকার নয় লাখ ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে এ সংক্রান্ত দুটি প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

এর ব্যয় ধরা হয়েছিল ৬ হাজার ৪৮১ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ঋণ হিসেবে দিচ্ছে ৩ হাজার ৯১৫ কোটি ৪৯ লাখ ৩৬ হাজার টাকা। তবে এডিবির দেওয়া ৩১৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা সাশ্রয় হয়েছে। সাশ্রয় হওয়া এই অর্থ সরকার অন্য প্রকল্পে ব্যবহার করতে পারবে। প্রকল্প বাস্তবায়নকালীন সরঞ্জামের মূল্য কম থাকায় এ অর্থ সাশ্রয় হয়েছে।

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড সূত্র জানায়, প্রকল্প দুটির মাধ্যমে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় আসছে সাড়ে নয় লাখ নতুন গ্রাহক। ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের জন্য ‘বিতরণ ব্যবস্থার ক্ষমতা বর্ধন, পুনর্বাসন ও নিবিড়করণ’ শীর্ষক প্রকল্পটির কাজ শুরু হয় ২০১৬ সালে। এর ব্যয় ধরা হয় তিন হাজার ৪০৩ কোটি ৮৩ লাখ টাকা।

এর মধ্যে এডিবি ঋণ হিসেবে দেবে দুই হাজার ৪৩ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। ২০১৯ সালের মধ্যেই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারিত ছিল। এই প্রকল্পেও ১৮৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকা বেঁচে যাচ্ছে। সাশ্রয় হওয়া অর্থ সরকার অন্য প্রকল্পে ব্যবহার করতে পারবে বলে অনুমতিও দিয়েছে এডিবি।

জানা গেছে, প্রকল্প দুটিতে বরাদ্দ সরকারি অর্থেও সাশ্রয় হয়েছে। সব মিলিয়ে এই প্রকল্পে ৫৯৫ কোটি ২৮ লাখ টাকা বা ১৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ ব্যয় কমছে। এখন প্রকল্পের মোট ব্যয় কমে দাঁড়াচ্ছে দুই হাজার ৮০৮ কোটি ৫৪ লাখ টাকা।

সূত্র জানায়, প্রকল্পের আওতাভুক্ত চার বিভাগের ৪২টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি এলাকায় এটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। ফলে গ্রামীণ এলাকায় অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত হবে। একই সঙ্গে ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ, সিস্টেম লস কমানো এবং শিল্পায়ন, সেচ, কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধিসহ স্বাস্থ্য, শিক্ষা, সাক্ষরতা সুবিধা জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এ দুটি প্রকল্পের মাধ্যমে পুরনো ও ওভারলোডেড বিতরণ লাইনের পুনর্বাসন, ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণ ও সরবরাহ বাড়ানো হবে। ফলে বিতরণ ব্যবস্থায় ৭৮টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কার্যক্ষমতা ও আর্থিক সক্ষমতা বাড়বে।