তুলা আমদানি সহজের দাবি

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৫ আশ্বিন ১৪২৬

কৃষিমন্ত্রী-বিটিএমএ বৈঠক

তুলা আমদানি সহজের দাবি

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক ৯:৪৭ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ০৬, ২০১৯

print
তুলা আমদানি সহজের দাবি

তুলা আমদানির সহজীকরণের দাবি জানিয়েছে টেক্সটাইলে মিল এসোসিয়েশন নেতারা। তারা বলেন, দেশি তুলাতে চাহিদার মাত্র দুই শতাংশ নির্বাহ হয়। তুলার বাকি চাহিদা মেটানো হয় আমদানি করে। এ অবস্থায় তুলা আমদানিতে সহজীকরণ করা জরুরি।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. আ. রাজ্জাকের সঙ্গে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস এসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) প্রতিনিধি দলের সাক্ষাৎকালে তারা এ দাবি জানান।

প্রতিনিধি দলে নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি খাত ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিটিএমএ-এর প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আলী খোকন, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা তপন চৌধুরী, বিটিএমএ-এর সাবেক সভাপতি এ মতিন চৌধুরী, একে আজাদ প্রমুখ।

বিটিএমএ দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, আইপি আবেদনের সময় ও খরচ কমানো। বর্তমানে আইপি আবেদন অনলাইনে হওয়াতে সময় ও শ্রম দুটিই কম লাগে এটা আরও সহজীকরণ করা। এছাড়া এসআরও সহজীকরণ করাসহ আমেরিকা ও ব্রাজিলের ফামিগেশন বহাল রাখার পদ্ধতি পুনর্বিবেচনা করার দাবি জানান। কৃষিমন্ত্রী মনোযোগ সহকারে তাদের কথা শোনেন এবং বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধান করে ঢাকা ও চট্টগ্রামের অফিস ডিজিটাইলেশন ও অটোমেশন করা হবে বলে জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে সমভূমির তুলা চাষ এলাকা ও উৎপাদন ক্রমান্বয়ে কমে যাচ্ছে। সাম্প্রতিকালে হাইব্রিড ও উচ্চফলনশীল জাতের তুলাচাষ প্রবর্তনের ফলে তুলার ফলন বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন আমাদের তুলার উৎপাদন প্রায় দুই লাখ বেল। যা চাহিদার চেয়ে নগণ্য, বছরে আট মিলিয়ন বেল তুলা আমদানি করা হয়। তুলার চেয়ে অন্যান্য ফসল লাভজনক বিধায় কৃষক অন্য ফসলে যাচ্ছে ফলে উৎপাদন কমে যাচ্ছে। এ দেশের তুলার আমদানিতে টেক্সটাইল মিল মালিকদের দাবির বিষয়টি বিবেচনার দাবি রাখে।

তিনি বলেন, বর্তমানে তুলা উন্নয়ন বোর্ড তুলা গবেষণা, এর সম্প্রসারণ, বীজ উৎপাদন ও বিতরণ, প্রশিক্ষণ, বাজারজাতকরণ ও জিনিং এবং ঋণ বিতরণ প্রভৃতি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে। বর্তমানে সমতল এলাকার সমভূমির জাতের তুলার আবাদ হচ্ছে এবং অতি সম্প্রতি তিন পার্বত্য জেলাতেও পাহাড়ি জাতের পাশাপাশি সমভূমির জাতের তুলার চাষাবাদ হচ্ছে।