পুঁজিবাজারে আসছে বি-আর পাওয়ারজেন

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯ | ২৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

পুঁজিবাজারে আসছে বি-আর পাওয়ারজেন

অর্থনৈতিক প্রদিবেদক ১১:৪২ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ০৭, ২০১৯

print
পুঁজিবাজারে আসছে বি-আর পাওয়ারজেন

বিদ্যুৎ খাতে প্রথম সরকারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে বি-আর পাওয়ারজেন লিমিটেড শেয়ারবাজারে আসছে। এর মধ্যদিয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারবাজারে আসার পথ উন্মুক্ত হলো। এ ব্যাপারে গতকাল শেরে বাংলা নগরে সরকারের অনমনীয় ঋণবিষয়ক কমিটির (স্ট্যান্ডিং কমিটি অন নন-কনসেশনাল লোন) ২৭তম সভা অনুমোদন দেওয়া হয়। কমিটিতে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। ১৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে গাজীপুরের শ্রীপুরে।

প্রকল্প সূত্র জানায়, ঢাকার অদূরে গাজীপুর জেলা ও পাশ্ববর্তী ময়মনসিংহ জেলার ক্রমবর্ধমান শিল্পাঞ্চলে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যে এ প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়েছে। 

অর্থমন্ত্রী দুটি শর্তের মাধ্যমে প্রকল্পটির ঋণ গ্রহণ প্রস্তাব অনুমোদন করেন। শর্ত দুটির প্রথমটি হলো : অর্থ মন্ত্রণালয় হতে কোম্পানির আর্থিক তারল্য সার্টিফিকেট নিতে হবে এবং দ্বিতীয়টি পুঁজিবাজারে কোম্পানিটির শেয়ার ছাড়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এর মাধ্যমে দীর্ঘদিন প্রতীক্ষিত সরকারি কোম্পানির শেয়ার পুঁজিবাজারে আসতে শুরু করবে। অর্থমন্ত্রী আশা করছেন এভাবেই ধীরে ধীরে সরকারি কোম্পানির শেয়ার পুঁজিবাজারে চাহিদা মোতাবেক আসতে থাকবে।

জানা গেছে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নকারী সংস্থার নাম বি-আর পাওয়ারজেন লিমিটেড। এটি একটি সরকারি লাভজনক কোম্পানি। এর মাধ্যমে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা একটি সরকারি লাভজনক কোম্পানির বিনিয়োগের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারবে। জার্মানভিত্তিক ঋণদানকারী প্রতিষ্ঠান কেএফডাব্লিউ আইপেক্স-ব্যাংকের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করা হবে।

প্রকল্পটি আগামী ২০২১ সালের মার্চে সম্পন্ন হবে। তিন বছর গ্রেস প্রিরিয়ড সময়কাল বিবেচনায় ঋণের কিস্তি পরিশোধ শুরু হবে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে। বি-আর পাওয়ারজেন লি. চট্টগ্রামের মিরসরাই বঙ্গবন্ধু শিল্প নগরে সরকারি তহবিলে প্রায় ১৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন আরেকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছে। ওই প্রকল্পটিতে আগামী জানুয়ারি ২০২০ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হবে।

এ জন্য নির্ধারিত সময় থেকে কোম্পানিটির আর্থিক তারল্য বৃদ্ধি পাবে। যার প্রেক্ষিতে শ্রীপুর প্রকল্পের ঋণের কিস্তি পরিশোধ সহজতর হবে বলে মনে জানিয়েছে বি-আর পাওয়ারজেন।