সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১ | ৬ কার্তিক ১৪২৮

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি
🕐 ৭:৩৫ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১

সোনারগাঁয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে অপরিকল্পিতভাবে অবৈধভাবে ড্রেজিং করে বালু উত্তোলনের ফলে ১০ গ্রামের কৃষকদের ফসলি নদে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবিতে রোববার ১০ গ্রামের কৃষক মানববন্ধন, প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে। উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামে রোববার বিকেলে মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ করা হয়।

সভায় ১০ গ্রামের কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, উপজেলার সনমান্দি, জামপুর ও নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ১০ গ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র নদে গত চার মাস ধরে ড্রেজার বসিয়ে জোরপূর্বক অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে। অপরিকল্পিতভাবে নদের তীর থেকে বালু উত্তোলনের ফলে নদের তীরবর্তী ২৫ গ্রামের কৃষকদের ফসলি জমির মাটি ভেঙে নদের গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় কৃষকরা বিভিন্ন সময়ে অবৈধ বালু উত্তোলনের প্রতিবাদ করার কারণে সন্ত্রাসীরা ১৬ জন কৃষককে পিটিয়ে আহত করেছে। গত চার মাস ধরে গ্রামে গ্রামে কৃষকরা প্রতিবাদ সভা ও বিক্ষোভ করার পর উপজেলা প্রশাসন কয়েক দফা ব্রহ্মপুত্র নদে অভিযান চালিয়ে চারটি ড্রেজারের মালিককে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে ১০ জনকে আটক করে জরিমানা করেছে।

স্থানীয় এলাকাবাসীরা জানান, প্রশাসনের লোক দেখানো এসব অভিযানের পরের দিন সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত রাখে।

চর তালিমাবাদ গ্রামের কৃষক ইমরান মিয়া জানান, গত চার মাসে সন্ত্রাসীরা অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন করে, ফলে ১০ গ্রামের ৩ শতাধিক কৃষকের ২৫০ একর ফসলি জমি ব্রহ্মপুত্র নদের গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

গোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা কৃষক আলমগীর হোসেন জানান, প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি দিয়েও অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করা যাচ্ছে না। ১০ গ্রামের কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

নোয়াগাঁও ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান দেওয়ান উদ্দিনের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় আরও বক্তব্য দেন নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সেলিম মিয়া, সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

 
Electronic Paper