নড়িয়ায় মদপানে দুইজনের মৃত্যু

ঢাকা, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২০ | ১৬ চৈত্র ১৪২৬

নড়িয়ায় মদপানে দুইজনের মৃত্যু

শরীয়তপুর প্রতিনিধি ৯:৫৮ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২২, ২০২০

print
নড়িয়ায় মদপানে দুইজনের মৃত্যু

শরীয়তপুর নড়িয়া উপজেলায় মদপানে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকালে তাদের মৃত্যু হয়। নিহত রিপন হাওলাদার (৩৮) উপজেলার ঘড়িসার ইউনিয়নের নন্দনসার গ্রামের মৃত ইউনুস হাওলাদারের ছেলে। তিনি চট্টগ্রামে ব্যবসা করতেন। আর মঞ্জু মল্লিক (৫৫) থিরপাড়া গ্রামের নূর মোহাম্মদ মল্লিক ওরফে নূরু মল্লিকের ছেলে। তিনি সৌদি প্রবাসী ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত রোববার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় নড়িয়া উপজেলার ঘড়িসার ইউনিয়নের গোয়ালবাথান গ্রামের কুদ্দুস হাওলাদারের (৫৫) নন্দনসার অটোরিকশার গ্যারেজের ভিতর রিপন হাওলাদার, মঞ্জু মল্লিক, কুদ্দুস হাওলাদার, জামাল দেওয়ান ও ইতালি প্রবাসী রিপন তালুকদারসহ কয়েকজন মদপান করেন।

সোমবার ২০ জানুয়ারি রাত ৩টার দিকে রিপন ও মঞ্জুর হঠাৎ করে পেটে জ্বালা ও বুকে ব্যথা উঠে। পরিবারের লোকজন তাদের নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন। মঙ্গলবার ২১ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৬টার দিকে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিপন হাওলাদারের মৃত্যু হয়। আর মঞ্জু মল্লিককে প্রথমে ঘড়িসার একটি ক্লিনিকে নেওয়া হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার সময় মাঝিরঘাট এলাকায় তার মৃত্যু হয়।

নন্দনসার গ্রামের খলিল বেপারীর স্ত্রী আসমা বেগম বলেন, আমার মেয়ে স্মৃতি আক্তারের বিয়ের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান চলছিল। সেই অনুষ্ঠানে রিপন হাওলাদার মদ খেয়ে মাতাল অবস্থায় অনুষ্ঠানে আসা মেয়েদের উত্ত্যক্ত করছিল। পরে কুদ্দুস হাওলাদার তাকে অনুষ্ঠানস্থল থেকে নিয়ে যায়।

রিপন হাওলাদারের শ্যালক মো. লিটন বলেন, সোমবার রাতে দুলাভাইয়ের পেটে জ্বালা ও বুকে প্রচুর ব্যথা হয়। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মনীর আহমদ খান বলেন, তারা মদপান করেছে এটার আলামত পাওয়া গেছে। একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। আরেকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছিল।

নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, একজন মদপানে মারা গেছেন এমন তথ্য পেয়েছি। আরেকজনের মৃত্যু কিভাবে হয়েছে তা পরিস্কার নয়। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তর প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ বোঝা যাবে।