বনদূষণ বন্ধে তৎপরতা

ঢাকা, শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ১৫ আশ্বিন ১৪২৯

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

বনদূষণ বন্ধে তৎপরতা

তানজেরুল ইসলাম, গাজীপুর
🕐 ৩:৫৪ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৯, ২০১৯

বনদূষণ বন্ধে তৎপরতা

গাজীপুরে বন ও পরিবেশ দূষণ বন্ধে অভিযুক্ত বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানকে নোটিস দিচ্ছে বন বিভাগ। যদিও এ ক্ষেত্রে অনেকটাই নিষ্ক্রিয় ভূমিকায় পরিবেশ অধিদপ্তরের গাজীপুর জেলা শাখা। এতে দূষণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের গাজীপুর ভাওয়াল রেঞ্জের বারুইপাড়া বিট। বারুইপাড়া মৌজার সাঁটিয়াবাড়ী এলাকায় ২৫১১ ও ২৫৩২ নম্বর সিএস দাগে সংরক্ষিত বনভূমি। বনভূমির পার্শ্ববর্তী ২৫২২ সিএস দাগে ব্যক্তি মালিকানা জমিতে ঝুট (কাপড় ও পশু চামড়ার ছোট ছোট শুকনো অংশ) আগুনে পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করে বিক্রি করছেন আলী হোসেন।

ভাওয়াল রেঞ্জ কর্মকর্তা (ফরেস্টার) খন্দকার আরিফুল ইসলাম জানান, ‘আলী হোসেনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন বনে পায়ে হাঁটার পথে যাতে ঝুটবাহী পরিবহন চলাচল করতে না পারে সেজন্য আরসিসি পিলার স্থাপন করা হয়েছে। এ ছাড়া বনে যাতে ঝুট না ফেলে সেজন্য তাকে নোটিশ দিয়ে সতর্ক করা হয়েছে।’

তবে ঝুট ব্যবসায়ী আলী হোসেন জানান, তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ১৭ জন নারীসহ আটজন পুরুষ শ্রমিক কর্মরত। অধিকাংশ শ্রমিক বন মামলার (পিওআর) আসামি।

এমন নারী শ্রমিক আছেন যার বিরুদ্ধে আটটি বন মামলা। এ শ্রমিকরা বিগত দিনে সাঁটিয়াবাড়ী এলাকায় বনের গাছ কেটে বিক্রি করতো। বিস্তৃীর্ণ বনভূমিতে শাল কপিচ জন্মানোর সুযোগ পেত না।

তিনি তাদের সম্মানজনক বেতন নির্ধারণ করে ভিন্ন ধরনের কর্মের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এতে বনভূমি নিরাপদ হয়েছে। সাঁটিয়াবাড়ী এলাকায় এখন আর কেউ গাছ কেটে বিক্রি করে না বলে তিনি দাবি করেন।

বারুইপাড়া বিট কর্মকর্তা হোসেন আহ্মেদ জানান, বনভূমি সংলগ্ন ঝুট পোড়ানোর ফলে ইকোলজি, ইকোসিস্টেম এবং বায়ো ডাইভারসিটির ক্ষতি হচ্ছে। এ অবস্থায় আলী হোসেনকে গত ৫ ডিসেম্বর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

 
Electronic Paper