ফসলি জমিতে ইটভাটা

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০১৯ | ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

ফসলি জমিতে ইটভাটা

ফরিদপুর প্রতিনিধি ৫:৩৬ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৬, ২০১৯

print
ফসলি জমিতে ইটভাটা

ফরিদপুর জেলা শহরতলীসহ ৯টি উপজেলার ফসলি মাঠে একের পর গড়ে উঠছে ইটভাটা। এ যেন ফসলি মাঠে কৃষির বদলে ইট ভাটার রাজত্ব। এতে একের পর এক কৃষি জমি বিলিন হয়ে যাচ্ছে জেলায়। শহরতলীর ডিগ্রিচর ইউনিয়নের আইজদ্দিন মাতুব্বরের ডাঙ্গি এলাকায় ২০০ গজের মধ্যে গড়ে উঠেছে তিনটি ইটভাটা। এসব ভাটা গুলো যেমন ফসলি জমি হারাচ্ছে একই সঙ্গে জনবসতিপূর্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে। এতে ওই এলাকার বসবাসরত মানুষ বিভিন্ন ধরনের রোগ ব্যধিতে আক্রান্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সিদ্দিক মিয়া বলেন, এখানে বাইরের জেলা থেকে লোক এসে কাজ করছে। তাদের ব্যবহারে আমরা অতিষ্ট। তারা এলাকায় অফিস ঘড় বানিয়েছে। আর সেই সব অফিস থেকে নারীদের সঙ্গে খুব বাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। এর ভিতর যশোর এলাকার এক ইটভাটা শ্রমিক এখকার এক বৌকে নিয়ে চলে গেছে। আমরা ইটভাটা শ্রমিক ও এসব ইটভাটার কারণে খুব বিপদে আছি।

শেখ শাহেদ আলী বলেন, এই এলাকার তিনটি ইট ভাটার প্রচুর ট্রাক আসা যাওয়া করে। এইসব ট্রাকের ধুলোতে এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠে। একই সঙ্গে ভাটার কালো ধোঁয়াতো আছেই। এ সব ভাটার অনুমতি অনৈতিক সুবিধা নিয়ে পরিবেশ দপ্তর দিয়েছে। সরেজমিনে যাচাই না করেই অনুমতি প্রদান করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

ফরিদপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের উপরিচালক ড. লুৎফর রহমান বলেন, আমরা কৃষি জমি ও জনবসতিপূর্ণ জমিতে ইটভাটার জন্য সাধারণত ছাড়পত্র দেওয়ার নিয়ম নেই। তবে অনেক ক্ষেত্রে স্বস্ব উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে দেওয়া হয়ে থাকে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয়দের দাবি, অতিদ্রুত সংশ্লিষ্ট দপ্তর এসব ইটভাটা গুলোর ব্যাপারে একটি সুষ্ঠ আশু পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।