ইসলামপুরে গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পে দুর্নীতি

ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯ | ৩ কার্তিক ১৪২৬

ইসলামপুরে গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পে দুর্নীতি

ইসলামপুর (জামালপুর) প্রতিনিধি ২:১১ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১০, ২০১৯

print
ইসলামপুরে গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পে দুর্নীতি

জামালপুরের ইসলামপুর কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি কাবিখার নন্দনেরপাড়া গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের কাজে সীমাহীন অনিয়ম ও দুর্নীতি চলছে। অর্থ বছর চলে গেলেও প্রকল্পের নামে ৪৪.১০৪ টন চাল উত্তোলন করে বিক্রি করে টাকা পকেটস্থ করার অভিযোগ উঠেছে প্রকল্প সভাপতির বিরুদ্ধে।

জানা গেছে, ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরের ইসলামপুর উপজেলার চিনাডুলী ইউনিয়নের যমুনার জেগে উঠা চরের নন্দনেরপাড়া দক্ষিণ পাশে কুকুরমাড়ী নামক স্থানে ‘নন্দনেরপাড়া-১ গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের নামে ৪৪.১০৪ টন চাল বরাদ্দ হয়। বরাদ্দকৃত চাল জুন ক্লোজিংয়ের আগে প্রকল্পের কাজ করার জন্য অগ্রিম গত ২৭ জুন উত্তোলন করেছেন প্রকল্প সভাপতি চিনাডুলী ইউপি চেয়ারম্যান আ. ছালাম। কিন্তু গত ৬ অক্টোবর রোববার সরেজমিন প্রকল্প স্থান ঘুরে দেখা গেছে, অর্থ বছর শেষ হলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উক্ত প্রকল্প স্থান ‘নন্দনেরপাড়া গুচ্ছগ্রাম’ এক টুপা মাটিও পড়েনি।

চারিদিকে শুধু কাঁশবন আর কাঁশবন। প্রকল্পের স্থানে ঘর উত্তোলনে জন্য ভিটে-মাটি কাটা না হলেও একটু সাইডে কাঁশবনের ফাঁকা জায়গায় দেখা গেলো দুই নম্বর ইটের খোয়া ও পাথর দিয়ে বানানো হচ্ছে সিমেন্টের খাম্বা। এসময় উপস্থিত রফিকুল ইসলাম নামক এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাস করা হলে তিনি জানান, আমি এখানে দেখাশোনা করছি, গুচ্ছগ্রামের ঘরের জন্য খাম্বা বানানো হচ্ছে এখানে।

এ ব্যাপারে প্রকল্পের সাধারণ সম্পাদক ইউপি সদস্য মোতালেব জানান, প্রকল্পের জমি এখনো সীমানা নির্ধারণ হয়নি। আর আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানিনা, চেয়ারম্যান জানেন। প্রকল্প সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান আ. ছালাম কোন সুদোত্তর না দিতে পারলেও তিনি জানান, গুচ্ছ গ্রামের ৫০টি ঘরের জন্য কাজ করা হচ্ছে, খুব তাড়াতাড়ি ড্রেজার দিয়ে ভিটের মাটি কাটা হবে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান টিটু জানান, কাজ না করলে প্রকল্পের বরাদ্দকৃত চাল সরকারি মূল্যে ফেরত নেওয়া হবে।