ফরিদপুরে কমছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা

ঢাকা, শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৫ আশ্বিন ১৪২৬

ফরিদপুরে কমছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা

ফরিদপুর প্রতিনিধি ৯:২২ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ০৫, ২০১৯

print
ফরিদপুরে কমছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা

ফরিদপুরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দুই হাজার অতিক্রম করেছে। গত ২০ জুলাই থেকে এ পর্যন্ত ফরিদপুরের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিয়েছে দুই হাজার ৪২ জন। এরমধ্যে সুস্থ রোগীর সংখ্যা ১৫০১ জন। বর্তমানে জেলার হাসপাতালগুলোতে ২০০ নিচে নেমে এসে ভর্তি ডেঙ্গুর সংখ্যা। যা এতদিন থাকতো কম-বেশি ৩০০ উপরে।

আস্তে আস্তে কমে আসছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা, তবে জেলার বাসিন্দাদের মধ্যে রয়ে গেছে শঙ্কা ও ভয়। কমতে শুরু করলেও সামনের দিনগুলোতে আরও বেশি সচেনতার ওপর গুরুত্ব দিতে বলেছেন বিশেষজ্ঞরা।

এদিকে গত ২৪ ঘন্টায় ৩২ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছে হাসপাতালগুলোতে। গত বুধবার ভর্তি হয়েছিল ৩৯ জন রোগী। বর্তমানে জেলার হাসপাতালগুলোতে ১৯৮ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি রয়েছে। তবে জেলায় এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরে গেছেন ১৫০১ জন ডেঙ্গু রোগী।

এর মধ্যে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক রোগী। এখানে ২০ জুলাই থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত ভর্তি হয় ৮৮ জন রোগী। এরপর ১ আগষ্ট থেকে ৪ আগষ্ট পর্যন্ত ভর্তি হয় ১১৯২ জন রোগী। এখান থেকে সুস্থ হয়ে বাড়িতে ফিরে গেছে ৯৯৭ জন রোগী। এটা একটা বড় সফলতা হাসপাতালটির। তারপরও এখানে গত দেড় মাসে শিশুসহ এ পর্যন্ত ৭ জন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু ঘটনা ঘটেছে। বর্তমানে হাসপাতালটিতে ১৫৩ জন রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। ৩৫ জনকে ঢাকা রেফার্ড করা হয় উন্নত চিকিৎসার জন্য বলে জানান হাসপাতালটির পরিচালক ডা. কামদা প্রসাদ সাহা।

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. কামদা প্রসাদ সাহা বলেন, ফরিদপুরের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালটি ৫০০ বেডের একটি হাসপাতাল। এখানে ফরিদপুর জেলা ছাড়াও পার্শ্ববর্তী জেলা রাজবাড়ী, মাগুরা, ঝিনাইদহ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, নড়াইল ও গোপালগঞ্জ থেকে ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছে। জেলার ৯টি উপজেলা ও ৭টি জেলা থেকে ডেঙ্গু রোগী আসাতে এখানে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দেশের অন্য যেকোন বড় হাসপাতাল থেকে সব সময় বেশি ছিল।

ফরিদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মোহা. এনামুল হক জানান, গত ২০ জুলাই থেকে এ পর্যন্ত ফরিদপুরে ডেঙ্গু আক্রান্ত মোট ২০৪২ জন ভর্তি হয়ে ছিলেন। এরমধ্যে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন ভর্তি হয়েছে ৩২ জন ডেঙ্গু রোগী। বর্তমানে ভর্তি আছেন ১৯৮ জন।