স্বস্তি ফিরেছে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌপথে

ঢাকা, সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯ | ৪ ভাদ্র ১৪২৬

স্বস্তি ফিরেছে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌপথে

নিজস্ব প্রতিবেদক ১১:০৩ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ১১, ২০১৯

print
স্বস্তি ফিরেছে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌপথে

দেশের দক্ষিণাঞ্চলের প্রবেশদ্বার শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌপথে ঈদ যাত্রার তৃতীয় দিনে নাড়ির টানে স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছে ঘরমুখো মানুষ। যদিও গত দুই দিন এ নৌরুটে যাত্রীদের ঢল নামে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কাঁঠালবাড়ী ঘাট থেকে ফেরি, লঞ্চ ও স্পিডবোট খালি অবস্থায় শিমুলিয়ায় পাঠানো হয়। ফেরি, লঞ্চ, স্পিডবোট সর্বত্রই যাত্রী আর যাত্রী। সড়ক পথেও ভোগান্তির অন্ত ছিলো না যাত্রীদের।

রোববার ভোরের দিকে শিমুলিয়া প্রান্তে যানবাহনের কিছুটা চাপ থাকলেও এখন তা নেই। ঘাটে ছোট-বড় গাড়ি মিলে অপেক্ষায় রয়েছে ২ শতাধিক যানবাহন। পাশাপশি শতাধিক ট্রাকও রয়েছে।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) শিমুলিয়া ঘাট ম্যানেজার (মেরিন) এ কে এম শাহজাহান জানান, লৌহজং টার্নিং পয়েন্টার বিকল্প চ্যানেলের পথটি সরু হওয়ার কারণে রাতে টানা (ডাম্ব) ফেরিগুলো চলতে পারে না। তাই সকাল পর্যন্ত গাড়ির একটু চাপ থেকে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চাপ কমে যায়।

যেখানে গতকাল যানবাহনের প্রচুর চাপ থাকায় বঙ্গবন্ধু সেতু পশ্চিম পার থেকেই মহাসড়কের উত্তরবঙ্গমুখী লেনে অন্তত ৩০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট সৃষ্টি হয়েছিলো। কখনও থেমে থেমে যানজট আবার কখনও কচ্ছপ গতিতে চলছিলো গাড়িগুলো। অথচ আজ তার চিত্র একেবারে ভিন্ন।

এদিকে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌরুটে বর্তমানে ১৭টি ফেরি, সাড়ে ৪ শতাধিক স্পিডবোট ও ৮৮টি লঞ্চ দিয়ে পারাপার হচ্ছে ঈদে ঘরমুখো মানুষ।

আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে শিমুলিয়া ঘাটে পুলিশ, আনসার, র‌্যাবসহ প্রায় ৪ শতাধিক নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে। ঘাট এলাকায় মোবাইল কোর্টের জন্য সার্বক্ষণিক ম্যাজিস্ট্রেট রয়েছেন।

মুন্সীগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. জায়েদুল আলম জানান, ঘাটে সকালে যাত্রীদের কিছু চাপ ছিল। তবে এখন কমতে শুরু করেছে। বলা যায় স্বস্তিতেই ফিরছে মানুষ।

তিনি বলেন, ফেরিঘাট, লঞ্চঘাট ও স্পিডবোট ঘাটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যাপ্ত সদস্য রয়েছে। বাসে ভাড়া বেশি নেয়াসহ কোনো প্রকার অনিয়মের অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।