মেহেরপুরে দুশ্চিন্তায় গো-খাদ্য ব্যবসায়িরা

ঢাকা, বুধবার, ২১ আগস্ট ২০১৯ | ৫ ভাদ্র ১৪২৬

মেহেরপুরে দুশ্চিন্তায় গো-খাদ্য ব্যবসায়িরা

মেহেরপুর প্রতিনিধি ৫:৪৪ অপরাহ্ণ, আগস্ট ০৬, ২০১৯

print
মেহেরপুরে দুশ্চিন্তায় গো-খাদ্য ব্যবসায়িরা

মেহেরপুরে গো-খাদ্য বিক্রির টাকা পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন গো-খাদ্য ব্যবসায়ীরা। ঈদুল আযহায় কোরবানির পশু বিক্রির পরে বকেয়া টাকা আদায় হয়। তবে এবারে গরু বেচাকেনায় চাঙ্গা ভাব না থাকায় গরু মালিক ও ব্যাপারীদের কপালে চিন্তার ভাজ পড়েছে।

জেলা প্রাণি সম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এবার লক্ষাধিক কোরবানি উপযোগী গরু, ছাগল, মহিষ ও ভেড়া রয়েছে। এরমধ্যে কোরবানী উপযোগী গরুর সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার। এ গরুগুলো প্রান্তিক চাষিরা বেশি পালন করে থাকেন। খামার পর্যায়ে এর সংখ্যা বেশি নয়।

জানা গেছে, প্রান্তিক চাষিদের বসত বাড়ির আঙ্গিণায় একটি-দুটি করে গরু পালন করা হয়ে থাকে। যার প্রধান খাদ্য গমের ভূষি, চাল, খুদ, পালিস, খৈল ও ধানের বিচুলি। বিচুলি স্থানীয়ভাবে কেনাবেচনা হলেও বাকি খাদ্য দোকান থেকে কেনা হয়। দরিদ্র চাষিদের বেশিরভাগ বাকিতে গো-খাদ্য কিনে থাকেন।

কোরবানির পশু বিক্রি হওয়ার পর দোকানীর টাকা পরিশোধ করেন। গো-খাদ্য বিক্রেতা সজিব এন্টারপ্রাইজের মালিক সোহেল রানা বলেন, বাকিতে গো-খাদ্য বিক্রি করে প্রায় এক বছর পর টাকা পাওয়া যায়। গরু পালন বেড়ে যাওয়ায় জেলার বিভিন্ন হাটবাজারে গো-খাদ্যের দোকান গড়ে উঠেছে।