যমুনার ভাঙনে বিলীন বসতি ও ফসলি জমি

ঢাকা, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯ | ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

যমুনার ভাঙনে বিলীন বসতি ও ফসলি জমি

জালাল উদ্দিন ভিকু, মানিকগঞ্জ ৮:২৫ অপরাহ্ণ, জুলাই ০৮, ২০১৯

print
যমুনার ভাঙনে বিলীন বসতি ও ফসলি জমি

যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার যমুনা নদীর তীরবর্তী বাচামারা ও চরকাটারী ইউনিয়নের জনপদের ৪ টি গ্রামে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে । ভাঙ্গনের ফলে প্রায় ৩ শতাধিক বসতবাড়ি, কয়েক শত বিঘা আবাদি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

সোমবার দুপুরে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার যমুনা নদীর তীরবর্তী বাচামারা ও চরকাটারী ইউনয়নে নদী পথে ইঞ্জিন চালিত নৌকা নিয়ে ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেছেন মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক এস.এম ফেরদৌস।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম রাজা,উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাবরিনা শারমিন,উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন আবুল, চরকাটারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুল বারেক মন্ডল,সহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা দেখা গেছে, ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকটি পরিবারের লোক জন নিয়ে নদীর পাড়ে অন্যে জায়গায় ঘর-দরজা,ধান-চাল,জিনিসপত্র ,গবাদি পশু, নিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। যমুনা নদীর ভাঙ্গন ঠেকাতে কয়েক সপ্তাহ পূর্বে বাচামার এলাকায় মানিকগঞ্জ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড ৪ হাজার বস্তা (জিও ব্যাগ) নদীর পাড় ঘেষে ফেলছে তা কোন কাজে আসেনি।

চরকাটারী ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আব্দুল বারেক মন্ডল জানান, যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধির ফলে কাঁঠালতুলী এলাকায় নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে কাঁঠালতলী গ্রাম নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্তদের চাল না দিয়ে বাড়ি-ঘর অন্যত্র সরিয়ে নিতে নগদ অর্থ বরাদ্দ প্রয়োজন। এভাবে নদীর ভাঙ্গন চলতে থাকলে চরকাটারী ইউনিয়নের অস্তিত্ব থাকবে না।