ভোট দিতে না পারার শঙ্কা

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯ | ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

রূপগঞ্জের কাঞ্চন পৌর নির্বাচন

ভোট দিতে না পারার শঙ্কা

মাহবুব আলম প্রিয়, রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) ৭:০৬ অপরাহ্ণ, জুলাই ০৭, ২০১৯

print
ভোট দিতে না পারার শঙ্কা

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের কাঞ্চন পৌরসভায় মোট ৩৫ হাজার ৬৬৫ জন ভোটার রয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৮ হাজার ১৭৮ জন ও মহিলা ভোটার ১৭ হাজার ৪৮৭ জন। ৯টি ওয়ার্ডে মোট ১৮টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২৫ জুলাই। এ ভোটগ্রহণ নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মাঝে রয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। তাদের ধারণা, ক্ষমতাসীন প্রার্থী বল প্রয়োগের মাধ্যমে কেন্দ্র দখল করবে। এতে প্রার্থী ও সমর্থকদের মধ্যে সংর্ঘের আশঙ্কা করছেন। ফলে নারী , বৃদ্ধরা কেন্দ্রে যেতে পারবেন কি না তা নিয়ে রয়েছে ভয়।

কাঞ্চন পৌরসভার চরপাড়া এলাকার বাসিন্দা আক্তার হোসেন বলেন, এশিয়ান রোডের পাশে এ পৌরসভার কাঞ্চন বাজার ছাড়া কোথাও কোন উন্নয়ন হয়নি। তাই এ এলাকার উন্নয়নে যাদের ভূমিকা থাকবে তাকেই ভোট দিবে জনগণ। তবে যারা বালু ভরাট করে আবার জনপ্রতিনিধি হতে চান জনগণ তাদের প্রত্যাক্ষন করবে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, কাঞ্চন পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগ মনোনিত প্রার্থী রফিকুল ইসলাম রফিক ও স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ মোট পাঁচজন মনোনয়পত্র জমা দিয়েছেন।

এ নিবার্চনে অংশগ্রহণকারী আওয়ামী লীগের মনোনিত মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম রফিক, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বর্তমান মেয়র কাঞ্চন পৌরসভা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক দেওয়ান আবুল বাশার বাদশা, সাবেক মেয়র কাঞ্চন পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মজিবুর রহমান ভূইয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মফিজুর রহমান ও জেলা যুবদলের সহসভাপতি আমিরুল ইসলাম মনোনয়নপত্র জমা দেন।

এছাড়া ৯টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে ৩১ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেবে ছয়জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এদের মধ্যে অসঙ্গতি থাকায় মেয়র প্রার্থী মফিজুর রহমানসহ বেশকিছু প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।

জেলা নির্বাচন অফিসার মতিউর রহমান বলেন, ২৫ জুলাই পৌর নির্বাচনের সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। শান্তিপূর্ণ ভোট গ্রহণে প্রশাসনিক সহায়তা থাকবে। ফলে ভোটারদের চিন্তার কিছু নেই। তবে প্রার্থীদের প্রচার প্রচারনায় কোন আচরন বিধি লঙ্ঘন হলে মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। কোন অভিযোগ থাকলে ভোটাররা নির্ধিদায় জানাতে পারেন। এতে সব রকম সহায়তা করা হবে।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, কাঞ্চন পৌরসভায় বিগত দিনে মেয়র হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন, দেওয়ান আবুল বাশার বাদশা। বিএনপি সমর্থিত হওয়ায় স্থানীয় উন্নয়নে তেমন ভূমিকা রাখতে পারেননি। ফলে নামে পৌরসভা হলেও আশানুরুপ উন্নয়ন হয়নি এ এলাকায়।