সিংগাইর পৌরসভায় উন্নয়ন ব্যাহত

ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০১৯ | ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

সিংগাইর পৌরসভায় উন্নয়ন ব্যাহত

সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি ৬:৪১ অপরাহ্ণ, জুলাই ০৬, ২০১৯

print
সিংগাইর পৌরসভায় উন্নয়ন ব্যাহত

মানিকগঞ্জের সিংগাইর পৌরসভার বকেয়া করের পরিমাণ ৮৯ লাখ ১৭ হাজার ৪১১ টাকা। খেলাপি করের তালিকার শীর্ষে রয়েছে সিংগাইর উপজেলা পরিষদ, পল্লী উন্নয়ন সংস্থা (বিআরডিবি) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্স ও সিংগাইর সরকারি কলেজ।

এর মধ্যে পল্লী উন্নয়ন সংস্থা (বিআরডিবি) পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর আদৌ কর পরিশোধ করেনি। বারবার নোটিস দেওয়ার পরও এসব প্রতিষ্ঠান বকেয়া কর পরিশোধ করছে না। এতে পৌরসভাটি আর্থিক সংকটে পড়েছে। ফলে ব্যাহত হচ্ছে পৌরসভার উন্নয়ন কর্মকাজ ও নাগরিক সেবা।

পৌরসভার রাজস্ব বিভাগের কর আদায় শাখা সূত্রে জানা গেছে, সবচেয়ে বেশি পৌর কর বকেয়া রয়েছে সিংগাইর উপজেলা পরিষদের। সরকারি আবাসিক ভবনসহ এ প্রতিষ্ঠানটির বকেয়া করের পরিমাণ ১১ লাখ ১৭ হাজার ২৯৯ টাকা। এরপরেই আছে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন সংস্থা (বিআরডিবি)। ২০০১ সালে পৌরসভা প্রতিষ্ঠার পর আদৌ কর পরিশোধ করেনি সরকারি এ প্রতিষ্ঠানটি। এ প্রতিষ্ঠানের কাছে পাওনা তিন লাখ ৫৭ হাজার ৫৪৫ টাকা।

বকেয়া করের তালিকায় তৃতীয় স্থানে রয়েছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। প্রতিষ্ঠানটির বকেয়া করের পরিমাণ তিন লাখ ২২ হাজার ৬১২ টাকা। চতুর্থ নম্বরে আছে সিংগাইর সরকারি কলেজ। উপজেলার ঐতিহ্যবাহী এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির কাছে কর বাবদ পাওনা ৯৩ হাজার টাকা। এ ছাড়া সিংগাইর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়সহ বাণিজ্যিক, আবাসিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছে আরও ৭০ লাখ ২৬ হাজার ৯৬৯ টাকা পৌর কর বকেয়া রয়েছে।

পৌরসভার সচিব তায়েব আলী জানান, পৌরসভাটি গ শ্রেণি থেকে খ শ্রেণিতে উন্নীত হওয়ায় কর্মকর্তা-কর্মচারী, মেয়র ও কাউন্সিলরদের বেতন ভাতা ও সেবা খাতে খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে প্রতিমাসে বেতন ভাতা ও অন্যান্য খরচ বাবদ প্রায় ১৫ লাখ টাকা খরচ হয়। সেই তুলনায় পৌরসভার আয় ও রাজস্ব আদায় বাড়েনি। খরচ অনুপাতে রাজস্ব আদায় না হওয়ায় পৌরসভার ব্যয়ভার মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।