আ.লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সংঘর্ষে আহত ৩৫

ঢাকা, রবিবার, ১৬ জুন ২০১৯ | ২ আষাঢ় ১৪২৬

আ.লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সংঘর্ষে আহত ৩৫

মাদারীপুর প্রতিনিধি ৭:৫৫ অপরাহ্ণ, জুন ১২, ২০১৯

print
আ.লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সংঘর্ষে আহত ৩৫

মাদারীপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পেয়ারপুর ইউনিয়নের মধ্য গাছবাড়িয়া এলাকায় আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে নারীসহ কমপক্ষে ৩৫ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় ১১ জনকে আটক করে পুলিশ। গতকাল বুধবার সকাল ৮টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত দফায় দফায় এ দুই গ্রুপের সংঘর্ষ চলে। ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা রয়েছে।

 

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সকালে আওয়ামীলীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজল কৃষ্ণ দে’র সমর্থকরা সদর উপজেলার পেয়ারপুর ইউনিয়নের মধ্য গাছবা?ড়িয়া গ্রামের তালুকদারবাড়ী দোকা?নের সামনে পোস্টার টাঙাতে ছিল। এসময় বিদ্রোহী প্রার্থী ও সাবেক নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের ছোট ভাই অ্যাডভোকেট ওবায়দুর রহমান কালুর সমর্থক লাল মিয়া মাতুব্বর ও শহিদ মাতুব্বরের লোকজন অতর্কিত হামলা চালায়। পরে দুই গ্রুপের লোকজন দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষে দুই গ্রুপের অন্তত ৩৫ জন আহত হয়।

আহতরা হলেন, গাছবাড়িয়া গ্রামের তালিব মাতুব্বর, শান্ত চৌকিদার, পিয়াল মোল্লা, সজল হাওলাদার, নুর জামাল সর্দার, আ?মিনুর মাতুব্বর, আব্দুল চৌদিকার, সা?কিব মাতুব্বর,আয়নাল মাতুব্বর, বাদল মাতুব্বর, না?সির বেপা?রি, সা?ব্বির শেখ, ম?হিউ?দ্দিন শেখ, ইকবাল চৌকিদার, বাকা চৌকিদার, সেরাজুল খান, শিউলী বেগমসহ অন্তত ৩৫ জন। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন গুরুতর জখম হয়েছে। আহতদের মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খরব পেয়ে মাদারীপুর সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে যে কোন সময় আবারও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী।
মাদারীপুর সদর হাসাপাতলে মেডিকেল অফিসার ইমরানুর রহমান সনেট বলেন, সংঘর্ষের ঘটনায় এ পর্যন্ত ২৮জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আমরা সামধ্যমত চিকিৎসা সেবা দিচ্ছি।

মাদারীপুর সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি পরিমল কুন্ডু বলেন, যারা নৌকা প্রতীকের কর্মী সমর্থকদের উপরে হামলা চালিয়েছে দলীয় ভাবে আমরা তাদের আইনের আওতায় আনার দাবী করছি। পাশাপাশি সদর উপজেলা নির্বাচনে দলের পক্ষে সব নেতা কর্মীদের কাজ করার আহবান জানাই। কারণ নৌকা প্রতীক শেখ হাসিনার প্রতীক। নৌকা হেরে গেলে আওয়ামীলীগ হেরে যাবে। তাই দলীয় প্রার্থীর পক্ষে সকলে কাজ করুন।

মাদারীপুরের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার উত্তম প্রসাদ পাঠক বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামীলীগ প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বেশ কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি করে পরিস্ত্রিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ঘটনার পর থেকে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন রয়েছে। এখন পর্যন্ত ১১ জন আটক করা হয়েছে।