নিভে গেল পাঁচ প্রাণ, থামছে না স্বজনদের আহাজারি

ঢাকা, রবিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৯ | ২ ভাদ্র ১৪২৬

নিভে গেল পাঁচ প্রাণ, থামছে না স্বজনদের আহাজারি

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি ১২:৪৩ অপরাহ্ণ, ফেব্রুয়ারি ১১, ২০১৯

print
নিভে গেল পাঁচ প্রাণ, থামছে না স্বজনদের আহাজারি

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রান হারানো গোপালগঞ্জের ৫টি পরিবারে চলছে শোকের মাতম। দুর্ঘটনার খবর গোপালগঞ্জে এসে পৌঁছালে নিহতদের পরিবার ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নেমে আসে বিষাদের ছায়া। স্তব্ধ হয়ে গেছে গোপালগঞ্জ শহর। স্বজন হরানোর আহজারি ও কান্নায় ভারি হয়ে উঠেছে নিহতদের বাড়ি ও আশপাশের এলাকা। 

জানা গেছে, রোববার বন্ধু সাদিকের সদ্যকেনা প্রাইভেটকারে খুলনায় বেড়াতে যান পাঁচ বন্ধু। খুলনার রূপসা বাইপাস সড়কে (লবণচরা থানার কাছে) ট্রাকের সঙ্গে প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন তারা। এক পাগলকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রাকের সঙ্গে প্রাইভেটকারটির এ সংঘর্ষ হয়। রোববার রাত পৌনে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ৫ প্রাইভেটকার আরোহীই গোপালগঞ্জের ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা।

নিহতরা হলেন- গোপালগঞ্জ শহরের সবুজবাগের অ্যাডভোকেট আবদুল ওয়াদুদ মিয়ার ছেলে ও গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুব হাসান বাবু, একই এলাকার মৃত আলাউদ্দিন শিকদারের ছেলে ও গোপালগঞ্জ সদর যুবলীগের সহ-সভাপতি সাদিকুল আলম, থানাপাড়ার গাজী মিজানুর রহমানের ছেলে ও জেলা ছাত্রলীগের উপ-সম্পাদক ওয়ালিদ মাহমুদ উৎসব, গেটপাড়া এলাকার আলমগীর হোসেন মোল্লার ছেলে ও জেলা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক সাজু আহমেদ এবং চাদমারী এলাকার ওয়াহিদ গাজীর ছেলে ও জেলা ছাত্রলীগের সদস্য অনিমুল ইসলাম গাজী। এদের মধ্যে সাদিকুল গাড়ি চালাচ্ছিলেন।

নিহতদের বাড়ি গোপালগঞ্জ জেলা শহরের সবুজবাগ, থানাপাড়া ও গেটপাড়া এলাকায়।

শহরের থানাপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, দুর্ঘটনায় নিহত গাজী ওয়ালিদ মাহমুদ উৎসবের পরিবারে চলছে শোকের মাতম। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে পাগলপ্রায় গোটা পরিবার।

স্বজনদের আহাজারি আর কান্নায় থানাপাড়া এলাকার পরিবেশ ভারি হয়ে উঠেছে। উৎসব জেলা আওয়ামী লীগ নেতা গাজী মিজানুর রহমান হিটুর ছেলে ও প্রধানমন্ত্রীর অ্যাসাইনমেন্ট অফিসার গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর ভাতিজা।

সোমবার বাদ জোহর নিহত ছাত্রলীগ ও যুবলীগের এ ৫ নেতার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে বলে দলীয় একটি সূত্রে জানা গেছে।