‘শাসক নয়, সেবক হতে চাই’

ঢাকা, রবিবার, ৭ মার্চ ২০২১ | ২২ ফাল্গুন ১৪২৭

‘শাসক নয়, সেবক হতে চাই’

নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি ৬:১৯ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২৪, ২০২১

print
‘শাসক নয়, সেবক হতে চাই’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার ১৬নং শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের নাছিরাবাদ গ্রামের কৃতিসন্তান সামসুজ্জামান খান মাসুম। যিনি আসন্ন ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। তিনি ছাত্রজীবন থেকে আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামে গ্রামে শেখ হাসিনার উন্নয়নের বাণী পৌঁছে দিচ্ছেন ভাগ্যাহত জনসাধারণকে।

সামসুজ্জামান খান, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহ-সম্পাদক ও ঢাকা মিরপুর সরকারি বাংলা কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করেছে পাশাপাশি শ্যামগ্রাম মোহিনী কিশোর স্কুল এন্ড কলেজের গভর্নিং বডির দাতা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

এছাড়াও তিনি নানা সমাজসেবামূলক কর্মকান্ডের সাথে দীর্ঘদিন ধরে জড়িত। আর এইসব উন্নয়নমূলক ও সমাজসেবামূলক কর্মকান্ডের জন্য এলাকায় খুব অল্পসময়ে সবার প্রিয় ব্যক্তি হিসেবে স্থান করে নেন শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের জনসাধারণের মাঝে। সামসুজ্জামান খান মাসুমকে সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ ভালবাসেন এবং সুখে দুঃখে তিনি সকলের পাশে দাঁড়ান।

সম্প্রতি তিনি করোনা মহামারির মধ্যে এলাকার অসহায় দুস্থ্য মানুষের মাঝে বিভিন্ন সামগ্রী উপহার দিয়েছেন। তার ব্যক্তিগত তহবিল থেকে অসহায় পরিবারের মাঝে করোনাকালীন সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।

সামসুজ্জামান খান মাসুম রোববার সন্ধ্যায় নাছিরাবাদ প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এক পরামর্শ সভায় ইচ্ছা প্রকাশ করে বলেন, মানুষের ভালবাসা আর মর্মস্পর্শী আবেদন আমাকে চরমভাবে তাড়িত করে। একজন ক্ষুদ্র রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে আমারও কিছু দায়বদ্ধতা রয়েছে সমাজের প্রতি। আর এই জনপদে আমার ছেলেবেলা, মা-মাটি ও মানুষের সাথে বেড়ে ওঠা। সমাজের সুখ, শান্তি ও সুবিধা-অসুবিধায় পাশে থাকার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি। গত ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দল থেকে নির্বাচন করার প্রস্তাবনা ছিল আমার প্রতি। কিন্তু বাস্তবিক কিছু বিষয় বিবেচনায় আমি সম্পূর্ণ প্রস্তুত ছিলাম না। তাই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেই।

তিনি বলেন, গত ৫ বছর ধীরে ধীরে আমি নির্বাচন করার প্রস্তুতি নেই। বর্তমান প্রেক্ষাপটে নির্বাচনের বিকল্প নেই। আর আমার সকল ভাবনা আমার সমাজের সকল মানুষকে নিয়ে। তাই আমি স্বপ্ন দেখি। আমার স্বপ্ন সাম্যের। আমি স্বপ্ন দেখি শোষণমুক্ত এক সমাজের যেখানে সব মানুষ সমান হবে। আমি স্বপ্ন দেখি একদিন সকল শ্রেণির মানুষ ভ্রাতৃত্বের এক টেবিলে বসতে পারবে। শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের যেকোন পরিবারের সচেতন সন্তান চেয়ারম্যান হয়ে মানুষের সেবা করবে। আমি এর উদাহরণ তৈরি করতে চাই। আপনাদের সমর্থনে এই শুরু হয়ত আমাকে দিয়ে হবে, কিন্তু আমিই শেষ নই।

তিডিন আরও বলেন, আমি স্বপ্ন দেখি, অবিচার আর নিপীড়নের উত্তাপে দম বন্ধ করা সেই মানুষগুলোকে নিয়ে যারা একদিন পরিণত হবে স্বাধীনতা এবং ন্যায়বিচারের আশ্রয়স্থলে। আমি স্বপ্ন দেখি, আমার সন্তান একদিন এমন এক সমাজে বেড়ে উঠবে, যেখানে ক্ষমতার দাপটে নয়, চারিত্রিক গুণ ও আধুনিক শিক্ষা দিয়ে তারা মূল্যায়িত হবে। গত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জন্য এই আসনটির জয় অনেক গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমাদের শত ভাগ সম্ভাবনা থাকা স্বত্বেও বিএনপি’র প্রার্থীর কাছে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর শোচনীয় পরাজয় হয়, যা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় একমাত্র ইউনিয়ন হিসেবে বিএনপি’র জয় ছিল। এই পরাজয় অন্যান্য মুজিব আদর্শের সৈনিকের মতো আমাকেও লজ্জিত করেছে ও কষ্ট দিয়েছে। ২০২১ সালে যেন এর পুনরাবৃত্তি না হয় সেই জন্য আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের আপামর নেতা কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ শক্তি নিয়ে আমরা নৌকার জয় ছিনিয়ে আনতে চাই।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন বাসীর পক্ষ থেকে “নৌকার চেয়ারম্যানের জয়” উপহার হিসেবে দিতে চাই।