কুমিল্লায় আধুনিক বীরচন্দ্র নগর মিলনায়তন ও গণপাঠাগার চাই

ঢাকা, শনিবার, ১৬ জানুয়ারি ২০২১ | ২ মাঘ ১৪২৭

কুমিল্লায় আধুনিক বীরচন্দ্র নগর মিলনায়তন ও গণপাঠাগার চাই

নিজস্ব প্রতিবেদক ৪:৪২ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ০১, ২০২০

print
কুমিল্লায় আধুনিক বীরচন্দ্র নগর মিলনায়তন ও গণপাঠাগার চাই

কুমিল্লা বীরচন্দ্র নগর মিলনায়তন ও গণপাঠাগার (টাউন হল) আধুনিকায়ন হবে কি হবে না এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে কুমিল্লার মানুষ। এ ব্যাপারে একটি গণ শুনানীর প্রয়োজন রয়েছে। 

১ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার (আজ) ঢাকায় বসবাসকারী কুমিল্লার বিশিষ্ট নাগরিকরা কুমিল্লা টাউন হল সংস্কার করে প্রস্তাবিত ডিজাইন অনুযায়ী আধুনিকায়নের ব্যাপারে তাদের মতামত প্রকাশ করেন।

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে জনতা টাওয়ারে অনুষ্ঠিত বিশিষ্ঠ নাগরিকদের এই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য হাজী আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার। তিনি কুমিল্লা টাউন হলে আধুনিকায়ন ও সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বলেন, কুমিল্লা টাউন হলটির এখন জরাজীর্ন অবস্থা। যেকোন সময় এখানে জগন্নাথ হল ট্র্যাজেডির মতো কোন দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এক সাথে এখানে কয়েকশ’ মানুষ প্রোগ্রাম করতে পারে না। এখানে আধুনিক কোন সুযোগ সুবিধা নেই এবং বর্তমানে এটি প্রায় অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তাই সরকারের সহযোগিতায় টাউন হলের বর্তমান ঐতিহ্য ও অবয়ব রক্ষা করে একটি আধুনিক টাউন হলে ডিজাইন করা হয়েছে। এটি যখন আলোর মুখ দেখার সময় আসে তখন কিছু কুচক্রী দেশের বরেণ্য ব্যক্তিদের ভুল বুঝিয়ে একটি বিবৃতি দেয়ার ব্যবস্থা করে।

সময়ের প্রয়োজনে আধুনিক কুমিল্লা বীরচন্দ্র নগর মিলনায়তন ও গণপাঠাগার (টাউন হল) প্রতিষ্ঠার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে বিশিষ্ট নাগরিকদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সৈয়দ আহম্মেদ ফারুক, বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজমুল হাসান পাখী, ড. প্রকৌশলী মো. আব্দুল মতিন, মেজর জেনারেল মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, কাজী মনসুর উল হক, ড. আবুল কালাম আজাদ, কাজী মাহতাব সুমন, শওকত আহসান ফারুক, মেজবাহুর রহমান টিপু, জাফরুল আহসান পেনি, মো. কবীর খান, বদিউজ্জামান, গোলাম মাওলা, জহিরুল কাউয়ুম এফসিএ, এ এস এম মিজানুর রহমান ইরান, মো. হাবিব উল্লাহ তুহিন, খান মফিজুল ইসলাম, আবদুল্লাহ আল জহির স্বপন, সোহেল রহমান, ফরহাদ আখতার মো. শাহরিয়ার, আবদুল মালেক চৌধুরী, এম কে জাকারিয়া, হুমায়ুন কবির ভূঁইয়া , গাজী এমদাদ, সাজ্জাদ হোসেন, সারওয়ার আলম মনু, মো. মোস্তফা কামাল, আ ফ ম মাহবুবুল হক, মো. দিদারুল আলম প্রমুখ।