চার মাস পর প্রাণচাঞ্চল্য চট্টগ্রামের আদালতে

ঢাকা, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ১০ আশ্বিন ১৪২৭

চার মাস পর প্রাণচাঞ্চল্য চট্টগ্রামের আদালতে

চট্টগ্রাম ব্যুরো ৬:৫২ পূর্বাহ্ণ, আগস্ট ০৭, ২০২০

print
চার মাস পর প্রাণচাঞ্চল্য চট্টগ্রামের আদালতে

দীর্ঘ চার মাস পর সরব হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম আদালতের বিচারিক কার্যক্রম। করোনা পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ চার মাস সারা দেশের মতো স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ থাকে চট্টগ্রাম আদালতগুলো। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আদালতের কার্যক্রম শুরুর পর আবারো প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে আদালতে। যদিও কয়েকমাস ধরে ভার্চুয়াল আদালতে জামিন শুনানি করা হয়। আদালতের কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে কয়েক মাস ধরে আইনজীবীদের একটি অংশ চট্টগ্রামে নানা কর্মসূচি পালন করেছেন।

ঈদুল আজহার বন্ধের পর গত বুধবার থেকে চট্টগ্রাম আদালতে ভার্চুয়াল আদালত বাতিল করে স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু হয়। এতে দেওয়ানি আদালত, ফৌজদারি আদালত এবং ট্রাইব্যুনালসমূহের কার্যক্রম স্বাভাবিক হয়ে ওঠে। তবে আদালতের কার্যক্রম শুরুর প্রথম দিন বিচারপ্রার্থী, আইনজীবীসহ আদালত সংশ্লিষ্টদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার খেত্রে তেমন সচেতনতা পরিলতি হয়নি। আইনজীবীরা জানান, আগে থেকে মামলার তারিখ না থাকার কারণে পুরনো মামলা শুনানি হয়নি। তবে নতুন করে মামলার শুনানির সময় দিয়েছেন আদালত।

চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতে পুরনো ৪০০ মামলার নতুন তারিখ অনুয়ায়ী মামলার শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালতের বিচারক। আদালতের ভারপ্রাপ্ত নাজির নেছার আহমদ জানান, এডিশনাল ৩ এর বিচারক মো. জসিম উদ্দীন ৪ শতাধিক মামলার নতুন দিন ধার্য করেছেন। পুরনো মামলাগুলো দ্রুত নিষ্পপ্তি করতে পরবর্তী কার্যকাল থেকে তারিখ দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম আদালতের আইনজীবী জালাল উদ্দীন পারভেজ জানান, চারমাস পর আবার প্রাণচাঞ্চল্য শুরু হয়েছে আদালত এলাকায়। দীর্ঘ সময়ে আদালতের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ থাকায় মামলাজট যেমন বেড়েছে। তেমনি ন্যায়বিচারের প্রত্যাশায় অনেক মানুষ কষ্টে ছিলো।পাশাপাশি আদালতকে ঘিরে কাজ করা অনেক মানুষ অর্থকষ্টে ভুগেছে। আইনজীবীদের অভিভাবক সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানগুলো কল্যাণে ও সহযোগিতার হাত না বাড়ালে এ পেশার লোকজন সাচ্ছন্দে জীবন চলতে পারত।

এদিকে শারীরিক উপস্থিতিতে বিচার কাজ শুরুর নির্দেশ দেওয়া হলেও কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। এজলাস ক ও আদালত প্রাঙ্গণে যথাযথভাবে সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে এ ধরনের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সাময়িকভাবে বিচারক ও আইনজীবীকে ত্রেমত সাদা শার্ট বা সাদা শাড়ি/সালোয়ার কামিজ ও সাদা নেক ব্যান্ড/কালো টাই পরিধান করতে বলা হয়েছে।