শীতে পিঠা বিক্রির ধুম

ঢাকা, রবিবার, ২ অক্টোবর ২০২২ | ১৭ আশ্বিন ১৪২৯

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

শীতে পিঠা বিক্রির ধুম

মীরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
🕐 ৫:২৬ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৩, ২০১৯

শীতে পিঠা বিক্রির ধুম

সন্ধ্যার হিমেল বাতাসে ভাঁপা পিঠার গরম আর সুগন্ধি ধোঁয়ায় মন আনচান করে ওঠে। সরষে বা ধনে পাতা বাটা অথবা শুঁটকির ভর্তা মাখিয়ে চিতই পিঠা মুখে দিলে ঝালে কান গরম হয়ে শীত পালায়।

শীতের আমেজ শুরুর সাথে সাথে মীরসরাই উপজেলার অলি-গলির ফুটপাতের বিভিন্ন জায়গায় এখন চলছে পিঠ তৈরি ও বেচাকেনার ধুম। পিঠা প্রেমি মানুষ শীতের পিঠার স্বাদ গ্রহণ করতে ফুটপাতের এসব পিঠার দোকানে প্রতিদিন সন্ধ্যায় ভিড় করছেন।

আবার অনেককেই দেখা যাচ্ছে পিঠার দোকানের চুলার পাশে বসেই গরম পিঠা খাওয়াকে রেওয়াজে পরিণত করেছেন। অনেকে পরিবারের চাহিদা মেটাতে পিঠা ক্রয় করে বাসায় নিয়ে যাচ্ছেন।

এছাড়া সন্ধ্যার পর ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান, অফিস, দোকান, ক্লাবের আড্ডায়ও পিঠার আয়োজন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে শ্রমজীবী, রিকশা-ভ্যান চালক, ড্রাইভারসহ বিভিন্ন কাজে নিয়োজিত শ্রমিক-অভিজাত শ্রেণির লোকজনের কাছে অত্যন্ত প্রিয় খাবার শীতের পিঠা।

এই শীতে ফুটপাতের পিঠাওয়ালা ভদ্র ঘরের অভিজাত গৃহবধূদের মুক্তি দিয়েছে পিঠা তৈরির কষ্ট থেকে। শীতে পরিবারের সবাই নানা পিঠা খেতে উৎসাহী হয়। গ্রাম থেকে শহরের সকল পরিবারেই চলে এ চাহিদা। কিন্তু এ পিঠা তৈরিতে নানা ঝামেলা পোহাতে হয় গৃহবধূদের। দরকার পড়ে নানা উপকরণ। আবার তার সঙ্গে লাগে অভিজ্ঞতা।

সব মিলে অন্যসব খাবারের মতো সহজে তৈরি করা যায় না শীতের পিঠা। সামর্থ্য ও প্রয়োজন পড়ে। তাদের সংসারে অধিক মূল্যে চিনি, গুড়, দুধ কেনা কষ্টসাধ্য। তাদের কাছে পিঠা খাওয়া শুধুই স্বপ্ন। কিন্তু তারপরও থেমে থাকেনা তাদের পিঠা খাওয়া। দরিদ্র ও স্বল্প আয়ের মানুষের পিঠা খাওয়ার জন্য উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গড়ে ওঠেছে প্রায় শতাধিক পিঠার দোকান।

 
Electronic Paper