চাঁদপুরে লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহন

ঢাকা, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | ৬ আশ্বিন ১৪২৬

চাঁদপুরে লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহন

চাঁদপুর প্রতিনিধি ৭:৪৯ অপরাহ্ণ, জুন ১২, ২০১৯

print
চাঁদপুরে লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী বহন

পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ শেষে রাজধানীর কর্মমূখি মানুষগুলো গত এক সপ্তাহ চাঁদপুর থেকে লঞ্চযোগে যাতায়াত শুরু করেছেন। কিন্তু সকাল ৬টা থেকে রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত এসব লঞ্চগুলো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে অতিরিক্ত যাত্রীবহন করে চাঁদপুর লঞ্চঘাট ত্যাগ করছে। বিআইডাব্লিউটিএর কর্মকর্তারা লঞ্চঘাটে সার্বক্ষনিক উপস্থিত থাকলেও কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। বুধবার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত চাঁদপুর লঞ্চঘাটে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিটি লঞ্চই অতিরিক্ত যাত্রী বহন করে ঘাট ত্যাগ করছে। ঈদ স্পেশাল দুটি লঞ্চ থাকার কথা থাকলেও তা নেই। বরং নিয়মিত সিডিউল লঞ্চগুলো দেখা গেছে। যাত্রীরা কয়েক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকে কোন উপায় না পেয়ে অতিরিক্ত যাত্রী হয়েই গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হচ্ছে।

ফরিদগঞ্জ থেকে আসা যাত্রী মাঈনুদ্দিন বলেন, তিনি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এক ঘণ্টা দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু লঞ্চে উঠার মত কোন জায়গা না থাকায় অপেক্ষা করছেন। পরবর্তী আরেক লঞ্চ আসলে উঠবেন।

রায়পুর থেকে আসা যাত্রী সোহাগ বলেন, তিনি স্ত্রী ও মাকে নিয়ে লঞ্চে উঠেছেন। বসার মত কোন স্থান নেই। তাই দাঁড়িয়ে থাকবেন ৩ ঘণ্টা। কারণ তিনি প্রাইভেট কোম্পানীতে চাকরি করেন। কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে তাই দেরী করার কোন সময় নেই।

এদিকে, অতিরিক্ত যাত্রীবাহী লঞ্চগুলো থেকে বিআইডাব্লিউটিএর দায়িত্বরত কর্মকর্তারা নির্দিষ্ট হারে টাকা গ্রহণ করছে বলে একাধিক লঞ্চ মালিক প্রতিনিধি অভিযোগ করেছেন।

লঞ্চ মালিক প্রতিনিধি রুহুল আমিন ও আজগর আলী বলেন, ঈদের একদিন পর থেকে যাত্রীর চাপ বেশী। আগামী শনিবার পর্যন্ত যাত্রীদের চাপ থাকবে। এরপর স্বাভাবিক হবে।

অতিরিক্ত যাত্রী বহনের বিষয়ে চাঁদপুর লঞ্চঘাটে বিআইডাব্লিউটিএ’র দায়িত্বরত ট্রাফিক পরিদর্শক মাহতাব উদ্দিনের বক্তব্য দিতে বললে তিনি বক্তব্য দিবে না বলে পালিয়ে যান। চাঁদপুর বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা আঃ রাজ্জাকের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।