ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ | ১৯ মাঘ ১৪২৯

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

‘সরকারের পাপের ওজন অনেক ভারী হয়ে’

কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি
🕐 ৭:৩৫ অপরাহ্ণ, নভেম্বর ২৯, ২০২২

‘সরকারের পাপের ওজন অনেক ভারী হয়ে’

বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস-চেয়ারম্যান সাবেক এমপি আলহাজ্ব মো. শাহজাহান বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের পাপের ওজন এত ভারী হয়েছে যে, রুমাল দিয়ে নাক ঢেকে রেখেও দুর্গন্ধ সারছেনা।

তিনি বলেন, সরকারই দেশে দুর্ভিক্ষের আভাস দিচ্ছে। ৭৪-এর চেয়ে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এর আগেই ভোট চোর মাফিয়া ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারকে তাড়িয়ে জনগনের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, দলীয় নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে খুশী করার জন্য তিনি (ওবায়দুল কাদের) খেলা হবে, বিশ্রি কথা বলেন। আসলে খেলাটা হবে, ভোট চোর, শেয়ার বাজার চোর, রিজার্ভ চোর, দেশ ও জনগনের সম্পদ লুন্ঠনকারীদের বিরুদ্ধে। তিনি যদি এ ধরনের খেলার কথা বলেন, তাহলে তার সাথে (ওবায়দুল কাদের) আমরাও আছি।

তিনি বসুরহাট কলেজ গেট সংলগ্ন মাঠে বসুরহাট পৌরসভা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন।

মো. শাহজাহান আরও বলেন, শত বাধা বিপত্তি রেল, বাস, লঞ্চ, স্টিমার, ধর্মঘট ডেকেও জনস্রোত ঠেকাতে পারেনি সরকার। গুম করে, হত্যা, নির্যাতন, গায়েবী মিথ্যা মামলা হয়রানি করেও ভোট চোর আওয়ামী সরকার তাদের পতন ঠেকাতে পারবেনা। অতি-শীঘ্রই এ জুলুমবাজ ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হবে। আমাদের ঐক্য যত সুদৃঢ়, মজবুত হবে-ততই আওয়ামী সরকারের পতন ত্বরান্বিত হবে।

বসুরহাট পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল মতিন লিটন সভাপতিত্বে যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল আল মামুনের সঞ্চালনায় সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্রগ্রাম বিভাগ) মাহবুবের রহমান শামীম, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম হায়দার বিএসসি, সাধারন সম্পাদক এডভোকেট আবদুর রহমান, সহ-সভাপতি এবিএম জাকারিয়া, জেলা ছাত্রদল সভাপতি আজগর আলী দুখু, সম্পাদক আবু হাসান নোমান, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ্ব ফখরুল ইসলাম প্রমুখ।

সম্মেলন শেষে দ্বিতীয় পর্বে আবদুল মতিন লিটনকে সভাপতি ও আবদুল্লাহ আল মামুনকে সাধারণ সম্পাদক করে বসুরহাট পৌরসভা বিএনপির কমিটি ঘোষণা করা হয়। সম্মেলনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছিল চরম বিশৃঙ্খলা ও উত্তেজনা। দু’গ্রুপের মধ্যে দফায়-দফায় মারমুখি আচরণ করতে দেখা গেছে। অবশ্য নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে মারামারি ও উত্তেজনা প্রশমিত হয়।

 
Electronic Paper