খুবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারে জবি ছাত্র অধিকার পরিষদের প্রতিবাদ

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১ | ১৩ ফাল্গুন ১৪২৭

খুবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারে জবি ছাত্র অধিকার পরিষদের প্রতিবাদ

জবি প্রতিনিধি ৫:০৭ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২১, ২০২১

print
খুবিতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বহিষ্কারে জবি ছাত্র অধিকার পরিষদের প্রতিবাদ

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে (খুবি) ২ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার ও ৩ শিক্ষকের বরখাস্তের প্রক্রিয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ।

 

গতকাল বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ জবি শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান মিশু স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই প্রতিবাদ জানানো হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আন্দোলনের সাথে সংযুক্ত থাকায় মিথ্যা অভিযোগে বাংলা ডিসিপ্লিনের মোহাম্মদ মোবারক হোসেন নোমান (১৮ ব্যাচ) এবং ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের ইমামুল ইসলামকে (১৭ ব্যাচ) বহিষ্কার করা হয়েছে। বর্তমানে তারা বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহারের জন্য অনশন কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনে সংযুক্ত থাকায় প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ অগণতান্ত্রিক ও অন্যায়। তাদের কিছু হলে ছাত্ররা কিছুতেই ছাড় দিবে না এবং সেই দায়ভার প্রশাসনকেই নিতে হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, আন্দোলনের সাথে ৩ জন শিক্ষক একাত্মতা প্রকাশ করায় বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আবুল ফজল, প্রভাষক শাকিলা আলম এবং ইতিহাস ও সভ্যতা বিভাগের প্রভাষক হৈমন্তী শুক্লা কাবেরীকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা পরিপন্থী ও গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। যার মাধ্যমে শিক্ষকের মর্যাদাহানী করা হয়েছে। শিক্ষকদের এভাবে মর্যাদাহানি করা হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও নৈতিকতার শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবে বলে আমরা মনে করি।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ১লা জানুয়ারী বেতন ফি কমানো, আবাসিক সংকটের সমাধান, দ্বিতীয় পরীক্ষণের ব্যবস্তা করাসহ পাঁচ দফা যৌক্তিক দাবিতে আন্দোলনে নামে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সেই আন্দোলনের প্রেক্ষিতেই গত ১৩ জানুয়ারী ২ শিক্ষার্থীকে বহিস্কার করে খুবি প্রশাসন। বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে গত ১৭ জানুয়ারী থেকে আমারণ অনশনে বসেন ঐ দুই শিক্ষার্থী।

এ বিষয়ে প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. রাকিব খোলা কাগজকে বলেন, শিক্ষার্থীদের যোক্তিক দাবিতে বাধা দেওয়া এবং তাদেরকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা এখন আমাদের দেশের ধারা হয়ে উঠেছে। সুতরাং এই ধারা ভাঙতে হবে এবং অনতিবিলম্বে খুবি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নিতে হবে ও তাদের বিরুদ্ধে করা হয়রানিমুলক কার্যকলাপ বন্ধ করতে হবে।