নির্মাণের পরদিনই ভেঙে ফেলা হলো আবরার স্মৃতিস্তম্ভ

ঢাকা, বুধবার, ২ ডিসেম্বর ২০২০ | ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

নির্মাণের পরদিনই ভেঙে ফেলা হলো আবরার স্মৃতিস্তম্ভ

নিজস্ব প্রতিবেদক ৯:১৪ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ০৮, ২০২০

print
নির্মাণের পরদিনই ভেঙে ফেলা হলো আবরার স্মৃতিস্তম্ভ

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর পলাশী মোড়ে নির্মিত আবরার ফাহাদ স্মৃতিস্তম্ভ ভেঙে ফেলা হয়েছে। বুধবার রাতে স্মৃতিস্তম্ভটি ভেঙে ফেলা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে বারোটার দিকে ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেনের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা বুয়েটের পলাশী মোড়ে আবরার ফাহাদের স্মরণে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়।

আগ্রাসন বিরোধী আট স্তম্ভ নামে এই স্মৃতিস্তম্ভটি তৈরি করেছেন ছাত্র অধিকার পরিষদের কর্মীরা।

এর ফলকে লেখা ছিল 'অনন্ত মহাকালে মোর যাত্রা, অসীম মহাকাশের অন্তে'। আবরার ফাহাদ তার ফেইসবুক প্রোফাইলেও ওই উক্তি ব্যবহার করেছিলেন।

নিজেকে আবরার ফাহাদ স্মৃতি সংসদের আহ্বায়ক হিসেবে দাবি করে আখতার বলছেন, সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র, গণপ্রতিরক্ষা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা, দেশীয় শিল্প-কৃষি ও নদী-বন-বন্দর রক্ষা, সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা এবং মানবিক মর্যাদা এই আটটি বিষয়ের প্রতীক হিসেবে তারা আটটি স্তম্ভ বানিয়েছেন।

এদিকে স্তম্ভটি ভেঙে ফেলার নিন্দা জানিয়ে ফের তা স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছেন ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর।

তিনি বলেন, আবরার ফাহাদ স্মৃতি সংসদ এর উদ্যেগে এই স্মৃতি স্তম্ভটি মঙ্গলবার রাতে নির্মাণ করা হয়েছিল। কিন্তু আমরা আশ্চর্যজনকভাবে লক্ষ্য করলাম, ২৪ ঘণ্টা পার হওয়ার আগেই এটি ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল।

তিনি আরও বলেন, স্তম্ভ ভেঙে যদি মনে করে আবরারের নাম মুছে ফেলা যাবে, আমি বলব সেটি ভুল। আবরার দেশের কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে রয়েছে। আবরার আমাদের প্রেরণা। আমরা একই স্থানে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণে আবরার স্মৃতি সংসদের পাশে থাকব।

স্তম্ভ ভাঙার নিন্দা জানিয়ে ডাকসুর সাবেক সমাজসেবা সম্পাদক আকতার হোসেন বলেন, দেশপ্রেমিক কোনো মানুষের পক্ষে এটা ভাঙা সম্ভব না। যারা এটাকে ভেঙেছে আমরা তাদের প্রতি আহ্বান জানাব এটাকে পুনরায় তৈরি করে দেওয়ার জন্য।