সবজিতেও ঝাঁজ

ঢাকা, রবিবার, ২৬ জানুয়ারি ২০২০ | ১৩ মাঘ ১৪২৬

রাজধানীর বাজারদর

সবজিতেও ঝাঁজ

নিজস্ব প্রতিবেদক ১০:১১ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ২২, ২০১৯

print
সবজিতেও ঝাঁজ

সড়ক পরিবহনের নতুন আইন কার্যকর ঘিরে পরিবহন শ্রমিকদের আন্দোলনের প্রভাব পড়েছে রাজধানীর বাজারে। দেশের বিভিন্ন জেলায় পরিবহন বন্ধ থাকায় রাজধানীতে সরবরায় কমে গেছে। এতে সব ধরনের সবজির দাম আবারও বেড়ে গেছে। দেশজুড়ে পেঁয়াজের দাম ও আলোচনা আগের মতোই তুঙ্গে। এর মধ্যে গত মঙ্গলবার লবণের দাম নিয়ে গুজব ছড়িয়ে পড়লে কঠোরভাবে সরকার তা দমন করে। বৃহস্পতিবার রাজধানীর মহাখালী, কারওয়ানবাজার, রামপুরা, মালিবাগ হাজীপাড়া, খিলগাঁও, শান্তিনগর, সেগুনবাগিচা, হাতিরপুলসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজারে শীতের সবজি শিমের কেজি বাজারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা। প্রতি পিস ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৫০ টাকা। একই দামে বিক্রি হচ্ছে বাঁধাকপি। মুলা বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা কেজি। শীতের আগাম সবজির সঙ্গে গত সপ্তাহ দুয়েক দাম কম থাকলেও বর্তমানে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে লাউ, টমেটো, করলা, গাজর, ঝিঙে, বরবটি, বেগুন, পটল, ঢেঁড়স ধুন্দল। প্রতি পিস লাউ বিক্রি হচ্ছে ৫০-৭০ টাকায়।

পাকা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকা কেজি। গাজর বিক্রি হচ্ছে ৮০-১০০ টাকা কেজি। করলা ৫০-৭০ টাকা, বরবটি ৫০-৬০ টাকা, বেগুন ৫০-৬০ টাকা, চিচিংগা, ঝিঙা, ধুন্দল ৫০-৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। কাঁকরোল ৫০-৬০ টাকা। কিছুটা কম দামে বিক্রি হচ্ছে পেঁপে ও মিষ্টিকুমড়া। পেঁপে আগের সপ্তাহের মতো বিক্রি হচ্ছে ২৫-৩০ টাকা কেজি। আর মিষ্টিকুমড়ার ফাঁলি পাওয়া যাচ্ছে ২০-২৫ টাকার মধ্যে। তবে বাজারে নতুন আলু এখনো আসেনি। পুরান আলু বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ২৫ টাকা।

মহাখালী বাজারের ব্যবসায়ী শাকিল মিয়া বলেন, বাজারে আস্তে আস্তে শীতের সবজির সরবরাহ বাড়লে দাম আরও কমে যাবে। তবে শ্রমিকদের আন্দোলনের কারণে এখন সরবরাহ কম।

এদিকে ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গত কয়েক সপ্তাহ থেকে রাজধানীর বাজারগুলোতে দাম এক লাফে কয়েকগুণ হয়। বর্তমানে রাজধানীর বাজারসহ সারা দেশেই পেঁয়াজ ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। আমদানি করা রসুন বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি। বাজারে ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ৯৫-১০০ টাকায়। সাদা বয়লার মুরগি কেজিপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ১২৫-১৩৫ টাকায়।

লাল লেয়ার মুরগি ২০০-২১০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৫৫০ টাকা এবং খাসির মাংস ৬৫০-৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। রুই মাছ বাজার ভেদে বিক্রি হচ্ছে ৩৫০-৪৫০ টাকা কেজি, পাবদা মাছ ৫০০-৬০০ টাকা, শিং মাছ ৫৫০-৭০০ টাকা, তেলাপিয়া ১৬০-১৮০ টাকা ও পাঙ্গাস ১৪০-১৬০ টাকা, সরপুঁটি ১৬০-২০০ টাকা, চাষের কই ১৬০-১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে গত সপ্তাহে সব ধরনের চালের কেজিতে ৫-৭ টাকা বেড়েছে। মিনিকেট চাল ৫৫ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি নাজির শাইল ৫৮ থেকে ৬০ টাকা। স্বর্ণা ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা, বিআর ২৮ নম্বর ৪২-৪৪ টাকা বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি মসুর ডাল (দেশি) ১১০ টাকা, মসুর ডাল মোটা ৮০ থেকে ৯০ টাকা, মুগ ডাল ১২০ টাকা, ভোজ্য তেল প্রতি লিটার খোলা ৯০ টাকায় ও বোতলজাত ১০৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।