পিয়াজে ভোগান্তি সবজিতে স্বস্তি

ঢাকা, শুক্রবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৯ | ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

রাজধানীর বাজারদর

পিয়াজে ভোগান্তি সবজিতে স্বস্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক ১০:৩৬ পূর্বাহ্ণ, নভেম্বর ০১, ২০১৯

print
পিয়াজে ভোগান্তি সবজিতে স্বস্তি

রাজধানীর কাঁচাবাজারে শীতের আগাম সবজি বাড়ছে। দামও কিছুটা কমে আসছে। এর মধ্যে রয়েছে- শিম, ফুলকপি, পাতাকপি ও মুলা। তবে বেগুন, পটল, ঢেঁড়স, ঝিঙা, করলার পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও দাম কমেনি। আগের মতোই বেশ চড়া। ফলে শীতের আগাম সবজির দাম কিছুটা কমায় ক্রেতাদের স্বস্তি মিলছে। তবে বেশি ভোগাচ্ছে পিয়াজ। যা বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা কেজিতে। এর সঙ্গ ডিম ও মুরগির দামও বাড়তি। মাছ এবং গরু ও খাসির মাংস কয়েক মাস ধরেই চড়া।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর কারওয়ানবাজার, রামপুরা, মালিবাগ হাজীপাড়া, খিলগাঁও, শান্তিনগর অঞ্চলের বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে। বাজার ঘুরে দেখা যায়, শীতের আগাম সবজি শিমের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা কমেছে। প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৪০-১৩০ টাকা।

কমেছে কপির দামও। ছোট আকারের ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ১৫-২০ টাকা পিস, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০-৫০ টাকা। গত সপ্তাহে ৪০-৫০ টাকা পিস বিক্রি হওয়া পাতাকপির দাম কমে বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকায়। দাম কমার এ তালিকায় আছে মুলাও। শীতের আগাম এ সবজিটির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০-৪০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৫০-৬০ টাকা। কয়েক মাস ধরে চড়া দামে বিক্রি হওয়া পাকা টমেটো ও গাজর একই অবস্থানে রয়েছে। পাকা টমেটো আগের সপ্তাহের মতো প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৪০ টাকা কেজি। গাজর বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা কেজি, যা গত সপ্তাহে ছিল ৮০-১০০ টাকা।

শীতের আগাম সবজির সঙ্গে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে লাউ, করলা, ঝিঙে, বরবটি, বেগুন, পটল, ঢেঁড়স, ধুন্দলসহ সব ধরনের সবজি।

গত সপ্তাহের মতো ছোট আকারের লাউ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা পিস। করলা বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা কেজি। একই দামে বিক্রি হচ্ছে বরবটি। বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা কেজি। চিচিংগা, ঝিঙে, ধুন্দলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকার মধ্যে। এ সবজিগুলোর দাম সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৪০-৩০০ টাকা কেজি। তেলাপিয়া ১৩০-১৬০ টাকা, পাঙ্গাশ ১২০-১৫০ টাকা, শিং ৪০০-৬০০ টাকা, কাঁচকি ২৫০-৩৫০ টাকা, পাবদা ৪০০-৬০০ টাকা, ট্যাংরা ৫৫০-৭০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। মাংসের বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি গরু ও মহিষের মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৫০-৫৭০ টাকা, খাসি ৭৫০-৭৮০ টাকা, ব্রয়লার ১৩৫-১৪০ টাকা, লাল লেয়ার ১৮০-২০০ টাকা, পাকিস্তানি কক ২৫০-২৭০ টাকা। ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১৫ থেকে ১২০ টাকা ডজন