সবজি বাড়লেও স্বস্তি নেই

ঢাকা, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯ | ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

রাজধানীর বাজারদর

সবজি বাড়লেও স্বস্তি নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১৮, ২০১৯

print
সবজি বাড়লেও স্বস্তি নেই

শীতের সবজি শিম, ফুলকপি, পাতাকপি, মুলার পাশাপাশি বাজারে বেগুন, পটল, ঢেঁড়স, ঝিঙা, করলার পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও দাম আগের মতোই বেশ চড়া। ফলে সরবরাহ বাড়লেও সবজির দামে ক্রেতাদের স্বস্তি মিলছে না।

সবজির পাশাপাশি রাজধানীর বাজারগুলোতে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে পিয়াজ। এর সঙ্গে ডিম ও মুরগির দামও ক্রেতাদের ভোগাচ্ছে। মাছ, গরু ও খাসির মাংস কয়েক মাস ধরেই চড়া। গতকাল রাজধানীর কারওয়ানবাজার, রামপুরা, মালিবাগ হাজীপাড়া, খিলগাঁও, শান্তিনগরসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৪০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১০০-১২০ টাকা। কিছুটা কমেছে কপির দাম। ছোট আকারের ফুলকপি বিক্রি হচ্ছে ২০-৩০ টাকা পিস, যা গত সপ্তাহে ছিল ৪০-৫০ টাকা। পাতা কপি বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা পিস। মুলা ৫০-৬০ টাকা কেজি। চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে পাকা টমেটো ও গাজর। পাকা টমেটো আগের সপ্তাহের মতো প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০-১৪০ টাকা কেজি। গাজর বিক্রি হচ্ছে ১০০-১২০ টাকা কেজি। চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে লাউ, করলা, ঝিঙে, বরবটি, বেগুন, পটল, ঢেঁড়শ, ধুন্দলসহ সব ধরনের সবজি। ছোট আকারের লাউ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা পিস। করলা বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা কেজি। একই দামে বিক্রি হচ্ছে বরবটি। বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা কেজি।

চিচিংগা, ঝিঙে, ধুন্দলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৭০ টাকার মধ্যে।

মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৪০-৩০০ টাকা কেজি।

তেলাপিয়া ১৩০-১৬০ টাকা, পাঙ্গাশ ১২০-১৫০ টাকা, শিং ৪০০-৬০০ টাকা, কাচকি ২৫০-৩৫০ টাকা, পাবদা ৪০০-৬০০ টাকা, ট্যাংরা ৫৫০-৭০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। মাংসের বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি গরু ও মহিষের মাংস বিক্রি হচ্ছে ৫৫০-৫৭০ টাকা, খাসি ৭৫০-৭৮০ টাকা, ব্রয়লার ১৪০-১৫০ টাকা, লাল লেয়ার ১৮০-২০০ টাকা, পাকিস্তানি কক ২৫০-২৭০ টাকা। ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১১৫ থেকে ১২৫ টাকা ডজন।