স্পায় অভিযান উদ্বিগ্ন হোটেল মালিকরা

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯ | ৯ কার্তিক ১৪২৬

স্পায় অভিযান উদ্বিগ্ন হোটেল মালিকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক ৫:২৩ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ০২, ২০১৯

print
স্পায় অভিযান উদ্বিগ্ন হোটেল মালিকরা

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ক্যাসিনোতে (জুয়ার আসর) অভিযান চালানোর পর তারকা মানের হোটেলের স্পা সেন্টারগুলোয়ও অভিযান শুরু করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এমন অভিযানে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন হোটেল মালিকরা। তারা মনে করছেন, ঢালাও অভিযানে দেশের পর্যটন খাতে বিরূপ প্রভাব পড়বে। এর প্রতিকার চেয়ে হোটেল মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল হোটেল অ্যাসোসিয়েশন (বিহা) বেসরকারি বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। যদিও বেসরকারি বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে তাদের সিদ্ধান্ত জানায়নি।

গত ২২ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা থেকে রাজধানীর গুলশানে নাভানা টাওয়ারের তিনটি স্পা সেন্টারে অভিযান চালিয়ে সেগুলো সিলগালা করে দেওয়া হয়। পুলিশ জানায়, স্পা বা সেলুনের আড়ালে যৌন ব্যবসার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে এ অভিযান চালানো হয়। লাইফস্টাইল অ্যান্ড হেলথ ক্লাব, রেসিডেন্ট সেলুন অ্যান্ড স্পা এবং ম্যাংগো স্পা- এ তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে ১৬ জন নারী ও তিন পুরুষকে আটক করা হয়।

জানা গেছে, চলমান প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বেশকিছু তারকা হোটেলের স্পাতেও অভিযান চালায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গত ২৪ সেপ্টেম্বর দুপুরে ঢাকায় তারকামানের হোটেল লা-ভিঞ্চির স্পাতে যান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। হোটেলটিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ২০-২৫ জন সদস্য গিয়ে স্পা সম্পর্কিত তথ্য জানতে চান। তবে অভিযান চালালেও কোথাও আটকের খবর পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে গত ২৯ সেপ্টেম্বর বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর কাছে লিখিত অভিযোগ জানায় তারকামানের হোটেল মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল হোটেল অ্যাসোসিয়েশন (বিহা)। একই সঙ্গে সংগঠনটির সভাপতি এইচ এম হাকিম আলী এ বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে বেসরকারি বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলীর সঙ্গে কথা বলেন।

অভিযোগে বলা হয়, গত ২৪ সেপ্টেম্বর ঢাকায় তারকামানের হোটেল লা-ভিঞ্চির স্পাতে যৌথ অভিযান চালানো হয়। ফলে স্পাতে কর্তব্যরত কর্মকর্তারা হতভম্ব হয়ে পড়েন। অভিযান পরিচালনাকারী আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার লোকজন স্পার লাইসেন্স দেখতে চান। কিন্তু তারকামানের হোটেলগুলোয় স্বাস্থ্য উন্নয়নের জন্য হেলথ ক্লাব ও স্পা একটি অবিচ্ছেদ্য অনুষঙ্গ। এজন্য তারকামান হোটেলকে সরকার পৃথক লাইসেন্স দেয় না।