বর্জ্য অপসারণ সরঞ্জাম কিনছে ডিএনসিসি

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯ | ৯ কার্তিক ১৪২৬

বর্জ্য অপসারণ সরঞ্জাম কিনছে ডিএনসিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক ১০:৩৩ পূর্বাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০১৯

print
বর্জ্য অপসারণ সরঞ্জাম কিনছে ডিএনসিসি

রাজধানীতে নিত্যদিনের বড় সমস্যার নাম বর্জ্য। প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ উৎপন্ন বর্জ্য অপসারণে হিমশিম খায় ঢাকার উভয় সিটি করপোরেশন। পর্যাপ্ত জনবল ও সরঞ্জামের অভাবে সমস্যা আরও প্রকট হয়ে ওঠে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা মোকাবেলায় এবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনার উদ্যোগ নিয়েছে।

বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, ডিএনসিসির বর্জ্য অপসারণে যান-যন্ত্রের মধ্যে বর্তমানে রয়েছে- পে লোডার দুটি, ব্যাকহো লোডার একটি, চেইন ডোজার আটটি, হুইল ডোজার দুটি, রোড সুইপার একটি, এস্কক্যাভেটর ছয়টি, কন্টেইনার ক্যারিয়ার ৩৮টি, আর্মারোল কন্টেইনার ক্যারিয়ার আটটি, হাতগাড়ি ২৫০০টি, ডাম্প ট্রাক ১৫টি, খোলা ট্রাক ২৪টি, জেট অ্যান্ড সাকার দুটি এবং কম্পেক্টর ২৩টি। কিন্তু এসব সরঞ্জাম চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। তাই ৪৯ কোটি ৬২ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে গাবতলীতে একটি অত্যাধুনিক অ্যাসফল্ট প্ল্যান্ট স্থাপন, সড়ক নির্মাণ ও নিরাপত্তা সহায়ক আনুষঙ্গিক যান-যন্ত্রপাতি ক্রয় করা হবে।

এ বিষয়ে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম জানান, ‘১৩১৯ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ব্যয়ে দুটি টায়ার ডোজার, ছয়টি হাইড্রোলিক এস্কক্যাভেটর, দুটি হাইড্রোলিক লং বুম এস্কক্যাভেটর, ছয়টি বুলডোজার-চেইন ডোজার, দুটি পে-লোডার, পাঁচটি ডাম্প ট্রাক (১০ টন), দুটি ওয়েস্ট কম্পেক্টর ক্রয় করা হবে। এ ছাড়াও ওয়ার্কশপ বিল্ডিং, স্টোরেজ হাউস, সাব-স্টেশন রুম ও সিকিউরিটি ব্যারাক নির্মাণ করা হবে।’

তিনি জানান, ৪৯ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে আধুনিক যান-যন্ত্রপাতি সংগ্রহের মাধ্যমে সড়ক পরিষ্কার ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কাজের উন্নয়ন মাধ্যমে প্রকল্পের মেকানিক্যাল রোড সুইপার মেশিন, এপেক্স-সোয়াম্প টাইপ চেইন ডোজার, বেকহো-লোডার, কম্পেক্টর ট্রাক ক্রয় করা হবে।

জানা গেছে, বর্তমানে ৫২টি সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন (এসটিএস) নির্মাণের মাধ্যমে ময়লা অপসারণ করছে ডিএনসিসি। প্রতিদিন ২৩০০-২৬০০ টন বর্জ্য সংগ্রহ ও পরিবহন করে ল্যান্ডফিলে নেওয়া হয়। তবে ফলের মৌসুমে তা বেড়ে ৩০০০-৩২০০ টনে দাঁড়ায়। এ ছাড়া উত্তর সিটিতে আগের ৮২.৬৩ বর্গকিলোমিটার অধিক্ষেত্রের সঙ্গে সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে পাশর্^বর্তী আট ইউনিয়ন। ফলে এ বিশাল অঞ্চলের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নতুন সরঞ্জাম কেনা দরকার বলে এ উদ্যোগ নিয়েছেন মেয়র।