নতুন নেতৃত্বে সেক্সওয়ার্কাস নেটওর্য়াক

ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯ | ৯ কার্তিক ১৪২৬

নতুন নেতৃত্বে সেক্সওয়ার্কাস নেটওর্য়াক

সভানেত্রী কাজল, সাধারণ সম্পাদক লিলি

ছাইফুল ইসলাম মাছুম ৭:১৮ অপরাহ্ণ, সেপ্টেম্বর ২৮, ২০১৯

print
নতুন নেতৃত্বে সেক্সওয়ার্কাস নেটওর্য়াক

সারাদেশের যৌনকর্মীদের নিয়ে সেক্সওয়ার্কাস নেটওর্য়াকের সপ্তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার আগারগাঁও আর্কাইভ গণগ্রন্থাগার মিলনায়তনে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সময় সদস্যদের ভোটাভুটির মাধ্যমে সংস্থাটির নতুন নেতৃত্ব নির্ধারন করা হয়। ভোটে সেক্সওয়ার্কাস নেটওর্য়াকের সভানেত্রী নির্বাচিত হয়েছে কাজল বেগম আর সাধারণ সম্পাদক আলেয়া আক্তার লিলি।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সারাদেশের বিভিন্ন যৌনপল্লীর ৭৮ জন ভোটারের মধ্যে ৬৫ জন এই ভোটে অংশ নিয়েছেন। সভানেত্রী হিসেবে অক্ষয় নারী সংঘের কাজল বেগম ভোট পেয়েছে ৩৮টি। তার নিকটতম প্রতিদন্ধি চুমকি ভোট পেয়েছে ১২টি। সাধারণ সম্পাদক পদে স্বনির্ভর মহিলা সংস্থার আলেয়া আক্তার লিলি পেয়েছে ৫৫টি। তার নিকটতম প্রতিদন্ধি সাগরিকা খান পেয়েছে ৮টি।

এছাড়া নির্বাচিত অন্যরা হলেন, সহ সভাপতি নুরুন নাহার। সহ সাধারন সম্পাদক ফরিদা পারভিন। কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন ইভান আহমেদ কথা। সাংগঠনিক সম্পাদক রাজিয়া বেগম। দপ্তর সম্পাদক চম্পা বেগম। প্রচার সম্পাদক রোকেয়া আক্তার। নির্বাহী সদস্য সুইটি ইসলাম, শিরিন আক্তার, নাজমা বেগম।

নব নির্বাচিত সভানেত্রী কাজল বেগম খোলা কাগজকে বলেন, যৌনকর্মীরা সমাজে সবচেয়ে অবহেলিত। শুধু সভানেত্রী হয়ে তো শেষ না, ওদের ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের প্রথম কাজ হবে যৌনকর্মীদের উপর নির্যাতন বন্ধ করা ও বয়স্ক যৌনকর্মীদের পূর্নবাসনের ব্যবস্থা করা।

সাধারণ সম্পাদক আলেয়া আক্তার লিলি খোলা কাগজকে বলেন, যৌনপল্লী যাতে উচ্ছেদের শিকার না হয় আর মায়ের পরিচয়ের কারণে বাচ্চারা যাতে স্কুল থেকে ঝরে না পড়ে, আমরা সে বিষয়ে বেশি নজর দিবো।

নির্বাচন পরিচালনার দ্বায়িত্বে ছিলেন খোন্দকার রেবেকা সান ইয়াত ( প্রধান নির্বাচন কমিশনার), নারী পক্ষের লিলিয়ান বেঞ্জামিন, আশার আলো সোসাইটির সানোয়ার হোসেন, সমাজসেবা কর্মকর্তা কেএম শহিদুজ্জামান, নারী পক্ষের নাজমা বেগম, বাসসের সিনিয়র সাংবাদিক খায়রুজ্জামান কামাল প্রমুখ। নির্বাচন পর্যবেক্ষন করেন দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর অবহেলিত মহিলা ও শিশু উন্নয়ন সংস্থার সাধারণ যৌনকর্মী দেবী বেগম।