ডেঙ্গুতে এবার প্রাণ গেল অতিরিক্ত আইজিপির স্ত্রীর

ঢাকা, রবিবার, ১৮ আগস্ট ২০১৯ | ৩ ভাদ্র ১৪২৬

ডেঙ্গুতে এবার প্রাণ গেল অতিরিক্ত আইজিপির স্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক ১:৩৪ অপরাহ্ণ, আগস্ট ০৪, ২০১৯

print
ডেঙ্গুতে এবার প্রাণ গেল অতিরিক্ত আইজিপির স্ত্রীর

ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে এবার অতিরিক্ত আইজিপি শাহাবুদ্দীন কোরেশীর সহধর্মিনী সৈয়দা আক্তার (৫৪) মারা গেছেন। রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় তিনি মারা যান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) সোহেল রানা।

নিহতের পরিবার থেকে জানা যায়, সৈয়দা আক্তার গত ৩০ জুলাই ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে রাজারবাগ পুলিশলাইনস হাসপাতালে ভর্তি হন। তার অবস্থার অবনতি হলে শনিবার তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় আজ তার মৃত্যু হয়।

এর আগে গত ৩১ জুলাই পুলিশের এসআই কোহিনুর বেগম নীলা (৩৩) ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর মোহাম্মদপুর সিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

রাজারবাগ পুলিশ লাইন হাসপাতাল থেকে গত ২৯ জুলাই রাত ৯টায় তাকে গুরুতর অবস্থায় এ হাসপাতালে আনা হয়। এরপর থেকে তাকে আইসিইউ বা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র রাখা হয়। বুধবার রাত ১টা ১৫ মিনিটের দিকে মারা যান তিনি।

এছাড়াও গত ৩০ জুলাই পুলিশ কনস্টেবল মো. দুলাল হোসেনের স্ত্রী রুপা আক্তার (২৭) ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার শ্যামলী ট্রমা সেন্টার অ্যান্ড স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

গত ২৭ জুলাই রুপা আক্তারকে ইডেন মাল্টিকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে দু’দিন আইসিইউতে রাখার পর তার অবস্থা আরও খারাপ হলে তাকে ঢাকা ট্রমা সেন্টার অ্যান্ড স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখানেই তিনি মারা যান।

উল্লেখ্য, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ১৬৪৯ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু চিকিৎসা নেয়া রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২২ হাজার ৯১৯ জন। সরকারি হিসাবে এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৮ জনে।

বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৬৯৩ জন, মিটফোর্ড হাসপাতালে ৯৮ জন, ঢাকা শিশু হাসপাতালে ১৪২ জন, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ৩৬৪ জন, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩১৯ জন, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ৩৫৮ জন, রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতালে ২০১ জন, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ১৩৪ জন এবং বিএসএমএমইউতে ১৪৩ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুম সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।