বিষখালী নদীতে বেতাগী-কচুয়া রুটে ফেরি চালু হচ্ছে

ঢাকা, সোমবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২১ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৮

Khola Kagoj BD
Khule Dey Apnar chokh

বিষখালী নদীতে বেতাগী-কচুয়া রুটে ফেরি চালু হচ্ছে

বরগুনা প্রতিনিধি
🕐 ২:১৭ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১৫, ২০২১

বিষখালী নদীতে বেতাগী-কচুয়া রুটে ফেরি চালু হচ্ছে

বরগুনা জেলার বেতাগী ও ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলা সংলগ্ন বিষখালী নদীর বেতাগী-কচুয়া রুটে ফেরি চালু হচ্ছে। এ ব্যাপারে ইতোমধ্যে সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয় নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ফেরি চালুর সংবাদে এলাকায় আনন্দের বন্যা বইছে এবং দুই উপজেলার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনসহ আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন হবে বলে করছেন স্থানীয়রা।

বেতাগীর পৌরসভার মেয়র এবিএম গোলাম কবির জানান, সম্প্রতি সচিবালয়ে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের আওতায় বেতাগী-কচুয়া অংশে বিষখালী নদীর উপর নতুন ফেরি স্থাপনের প্রশাসনিক অনুমোদনের বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিবের সভাকক্ষে এক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বেতাগী-কচুয়া পয়েন্টে ফেরি স্থাপনে মন্ত্রণালয়ের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুল মালেকের সভাপতিত্বে এসময় সেখানে অবস্থান করছিলেন বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমন এবং বেতাগীর পৌরসভার মেয়র এবিএম গোলাম কবির।

সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর থেকে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস গত ২৬ আগস্ট বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক বরাবরে পত্র প্রেরণ করে নদীর হাইড্রোগ্রাফি প্রতিবেদন চান। গত ১ সেপ্টেম্বর বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক শামছুন্নাহার স্বাক্ষরিত একটি পত্র সড়ক পরিবহন অধিদপ্তরেকাছে পৌঁছে দেয় হয়। এরপর সওজ হেড কোয়ার্টার থেকে চীফ ইজ্ঞিনিয়ার আব্দুস সবুর স্বাক্ষরিত একটি পত্র ৬ সেপ্টেম্বর সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

এ পত্রের আলোকে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে উপ-সচিব ফামিদা হক খান ফাইল তুলেন। এ আলোকে চলতি অক্টোবর মাসের মধ্যে কচুয়া-বেতাগী স্থানে ফেরি চালু করনের জন্য উচ্চ পর্যায়ে সভা করে ফেরি চালু করার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়।

স্থানীয়রা জানান, গত তিন যুগেরও বেশি সময় ধরে সংশ্লিষ্টদের নিকট ফেরি স্থাপনে বিভিন্ন সময় এলাকার জনগণের পক্ষ থেকে বেতাগী প্রেস ক্লাব, বেতাগী পৌরসভা ও অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরা মিছিল, সভা, মানববন্ধনসহ নানাভাবে দাবি জানিয়ে আসছিলেন। ফেরি স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয়ায় সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সকলকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

 
Electronic Paper