লোকবল সংকটে পিরোজপুর প্রাণিসম্পদ কার্যালয়

ঢাকা, মঙ্গলবার, ২ মার্চ ২০২১ | ১৮ ফাল্গুন ১৪২৭

লোকবল সংকটে পিরোজপুর প্রাণিসম্পদ কার্যালয়

পিরোজপুর প্রতিনিধি ৯:৩৩ অপরাহ্ণ, জানুয়ারি ২২, ২০২১

print
লোকবল সংকটে পিরোজপুর প্রাণিসম্পদ কার্যালয়

লোকবল সংকটে পিরোজপুর প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের প্রাণ যায় যায় অবস্থা। এ সংকট নতুন নয়, দীর্ঘদিনের। এ স্বল্প সংখ্যক লোকবল দিয়ে চলছে সংস্থাটির স্বাস্থ্যসেবা। অথচ চাহিদার দ্বিগুণ ডিম উৎপাদন হয় পিরোজপুরে। ডেইরিতেও ভালো পিরোজপুর। বিশেষ করে গরু মোটা-তাজাকরণে। পিরোজপুর প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আমজাদ হোসেন ভূইয়া জানান, পিরোজপুরে ডিম উৎপাদনকারী মুরগির খামার রয়েছে এক হাজার দুইশটি। এরমধ্যে রেজিস্টার খামার রয়েছে ১৬৭টি। ব্রয়লার মুরগির খামার রয়েছে ৪৫০টি। সোনালি মুরগির খামার রয়েছে প্রায় ৩০০টি। হাঁসের খামার রয়েছে প্রায় ৮০টি। গবাদিপশুর খামার রয়েছে ৪৫০টি। এর মধ্যে রেজিস্টার খামার রয়েছে ১০৮টি।

তিনি বলেন, মুরগির রোগ নির্ণয়ের জন্য স্বরূপকাঠী ও পিরোজপুরে মিনি ল্যাব করা দরকার। ল্যাব থাকলে রোগ নির্ণয় করে সঠিকভাবে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব। লোকবল বাড়ানো হলে খামারিদের আরও বেশি পরামর্শ ও হাঁস মুরগি এবং গবাদিপশুর স্বল্প সময়ে চিকিৎসা দেওয়া যাবে। পিরোজপুর জেলা কার্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণির লোকবলেরও সংকট রয়েছে।

জানা যায়, পিরোজপুর সদরে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও একজন ভেটেনারি সার্জন থাকার কথা থাকলেও আছে শুধু প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা। নাজিরপুরে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও ভেটেনারি সার্জন এ দুজনের পদই শূন্য। ইন্দুরকানীতে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও একজন ভেটেনারি সার্জন এর মধ্যে শুধু ভেটেনারি সার্জন আছে।

কাউখালীতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নাই ও একজন ভেটেনারি সার্জন থাকলেও তিনি গেল অক্টোবরে ছয় মাসের প্রশিক্ষণে চলে গেছেন। ভান্ডারিয়ায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নাই ও একজন ভেটেনারি সার্জন আছেন। মঠবাড়িয়া উপজেলায় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নাই ও একজন ভেটেনারি সার্জন আছেন।

নেছারাবাদ উপজেলায় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নাই। একজন ভেটেনারি সার্জন আছেন তিনিও ৬ মাসের প্রশিক্ষণে চলে গেছেন। অতিরিক্ত জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন থেকে ঢাকায় প্রেশনে আছেন। তার নাম ডা. রাবেয়া খাতুন। তার বেতন হয় পিরোজপুর থেকে। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বলেন, আমি অফিসের বাহিরে থাকলে অফিসে যদি কেউ আসে তার সঙ্গে কথা বলার কেউ থাকে না।