ওসির লাঞ্ছনার শিকার সেই এএসআইকে প্রত্যাহার

ঢাকা, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০ | ১০ কার্তিক ১৪২৭

ওসির লাঞ্ছনার শিকার সেই এএসআইকে প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক ১২:৩৮ অপরাহ্ণ, আগস্ট ১০, ২০২০

print
ওসির লাঞ্ছনার শিকার সেই এএসআইকে প্রত্যাহার

বরগুনার বামনায় শত শত মানুষের সামনে লাঞ্ছনার শিকার সেই এএসআইকে বামনা থানা থেকে সরিয়ে বরগুনা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মফিজুল ইসলাম।

এএসপি মফিজুল ইসলাম বলেন, ওই এএসআইকে অন্য স্থানে পদায়নের জন্য থানা থেকে সরিয়ে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে।

জানা গেছে, রোববার (৮ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে ভুক্তভোগী ওই এএসআইকে বরগুনার পুলিশ লাইনে সংযুক্ত হওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এর পরপরই পুলিশ লাইনে সংযুক্ত হওয়ার জন্য দাফতরিক কাজকর্ম থেকে শুরু করে নিজের ব্যাগ-বোস্কা গোছানোর প্রস্তুতি শুরু করেন তিনি।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ওই সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) বলেন, ‘গতকাল রাতে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত হওয়ার জন্য আমাকে আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নির্দেশ দিয়েছেন। এজন্য আমি পুলিশ লাইনে সংযুক্ত হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি। তবে কেন বা কী কারণে আমাকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে তা আমি এখনও অবগত নই।’

এ বিষয়ে বরগুনা পুলিশ লাইনের রেসিডেন্সিয়াল ইনচার্জ (আরআই) মো. মোজাম্মেল হক বলেন, বামনার অনাকাঙ্ক্ষিত সেই ঘটনায় ভুক্তভোগী ওই এএসআইকে বরগুনার পুলিশ লাইনে সংযুক্ত হওয়ার জন্য বলা হয়েছে। তবে তিনি এখনও পুলিশ লাইনে সংযুক্ত হননি। তবে কেন বা কী কারণে তাকে পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে তা আমি জানি না।

এ বিষয়ে বরগুনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, আমরা ভুক্তভোগী ওই এএসআইকে একটি সুন্দর পরিবেশে কাজ করার সুযোগ করে দিতে চাই। এই মুহূর্তে তার বামনায় কাজ করার অনুকূল পরিবেশ নেই। তাই তাকে আমরা বামনা থানা থেকে সরিয়ে বরগুনা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করেছি। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তাকে আবারও অন্যত্র পদায়ন করা হবে। এই পদায়নে যতটুকু সময় লাগবে ততক্ষণ তিনি বরগুনা পুলিশ লাইনে সংযুক্ত থাকবেন।

উল্লেখ্য, কক্সবাজারে পুলিশের গুলিতে মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদের মৃত্যুর পর গ্রেফতার ও কারাবন্দি শাহেদুল ইসলাম সিফাতের মুক্তির দাবিতে শনিবার (৮ আগস্ট) মানববন্ধন পণ্ড করার সময় কর্তব্যরত ওই এএসআইকে চড় মারেন বরগুনার বামনা থানার ওসি মো. ইলিয়াস হোসেন।

চড় মারার ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বামনা থানার ওসি মো. ইলিয়াস হোসেনের সমালোচনা করেন অসংখ্য মানুষ।