মির্জাগঞ্জে চিকিৎসক ও লাইসেন্স ছাড়াই চলছে ক্লিনিক

ঢাকা, শনিবার, ৩০ মে ২০২০ | ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

মির্জাগঞ্জে চিকিৎসক ও লাইসেন্স ছাড়াই চলছে ক্লিনিক

মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি ১০:৩১ পূর্বাহ্ণ, এপ্রিল ০৯, ২০২০

print
মির্জাগঞ্জে চিকিৎসক ও লাইসেন্স ছাড়াই চলছে ক্লিনিক

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের ইসলামীয়া ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের বৈধ কাগজপত্র দাখিলের কারণ দর্শণের নোটিস দিয়েছেন পটুয়াখালী সিভিল সার্জন। নোটিস প্রদানের ৩৭ দিন অতিবাহিত হলেও কোন বৈধ কাগজপত্র জমা দিতে পারেনি ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। এখন পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। নোটিস দেওয়া সত্ত্বেও কোন নিময়নীতির তোয়াক্কা না করে হর-হামেশা তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

তাদের এ অবৈধ চিকিৎসাসেবা দেখার যেন কেউ নেই। ফলে প্রতারিত হচ্ছেন রোগীরা। এদিকে, নোটিস প্রদানের পরে ক্লিনিক কৃর্তপক্ষ নামে মাত্র কিছু কাগজপত্র জমা দিয়েছেন বলে জানান সিভিল সার্জন।

জানা যায়, গত ১ মার্চ পটুয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম উক্ত প্রতিষ্ঠানকে তাদের চিকিৎসক নার্সসহ অন্যান্যে কাগজপত্র ৫ কার্য দিবসের মধ্যে ক্লিনিকের বৈধ কাগজপত্র জমা চেয়ে কারণ দর্শণের নোটিস প্রদান করেন।

নোটিস সূত্রে জানা যায়, গত ২০ ফেব্রুয়ারী পটুয়াখালী সিভিল সার্জন অফিসের এসএমটি রফিকুল ইসলাম সরেজমিনে ইসলামীয়া ক্লিনিকটি পরিদর্শন করেন। এ সময়ে ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ তাকে প্রয়োজনীয় কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। লাইসেন্স বিহীন ভাবে চলছে ক্লিনিকটি।

এছাড়াও চিকিৎসকের স্বাক্ষর বিহীন ছাড়া হচ্ছে প্যাথলোজির রির্পোট দেখাতে পারেনি এমটি ল্যাব ও চিকিৎসকের মূল কাগজ। ব্লাড স্যাম্পল এইচবিএসএজি পজেটিভ স্ট্রীপসসহ খালী অবস্থায় রাখা, যাহা রোগীদের জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ন। ল্যাব রেফিজারেটর খুলে দেখেন ৩ দিন পূর্বের প্লাষ্টিক সিরিজের এন্টিবায়োটিক ইনজেকশন ভর্তি। ক্লিনিকে ছিলনা কোন ডাক্তার। চিকিৎসার নামে প্রতারনা ও লাইসেন্স বিহীন ক্লিনিক চালানোর অপরাধে প্রতিষ্ঠানটির চিকিৎসা কার্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য এ নিদের্শ দেওয়া হয়।

ইসলামীয়া ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের পরিচালক আবুল বাসার বলেন, আমি পটুয়াখালী সিভিল সার্জনের কাছে ক্লিনিকের কাগজপত্র জমা দিয়েছি।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. দিলরুবা ইয়াসমিন লিজা বলেন, ইসলামীয়া ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারটির পরিচালনার জন্য আমি কোন বৈধ কাগজপত্র পাইনি। তবে তারা কিভাবে ক্লিনিকটি চালাচ্ছে তা আমি জানি না।

ইউএনও সরোয়ার হোসেন বলেন, ক্লিনিক পরিচালনার জন্য পরিচালক আবুল বাসার আমাকে মৌখিক ভাবে অনুমতি পেয়েছে বলে জানিয়েছে। কিন্তু আমি কোন কাগজ হাতে পাইনি।

পটুয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, একটি ক্লিনিক করতে গেলে বৈধ কাগজপত্র থাকা দরকার। কিন্ত ইসলামীয়া ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের কিছু কাগজপত্র নোটিস প্রদানের পরে পেয়েছি। তা যাচাই-বাছাই করে আবারও বৈধ কাগজপত্র চেয়ে নোটিস প্রদান করা হবে।