রিফাত হত্যা মামলায় প্রধান আসামির জামিন নামঞ্জুর

ঢাকা, বুধবার, ২০ নভেম্বর ২০১৯ | ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

রিফাত হত্যা মামলায় প্রধান আসামির জামিন নামঞ্জুর

বরগুনা প্রতিনিধি ১১:৫৬ পূর্বাহ্ণ, অক্টোবর ১৬, ২০১৯

print
রিফাত হত্যা মামলায় প্রধান আসামির জামিন নামঞ্জুর

বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রধান আসামি রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। একই সঙ্গে এ মামলার চার আসামির জামিন আবেদন শিশু আদালতে প্রেরণ করার নির্দেশ দেন। এছাড়াও পলাতক এক আসামিকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ দেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকালে বরগুনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মো. ইয়াসিন আরাফাত এ আদেশ দেন।

এ মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. মজিবুল হক কিসলু বলেন, রিফাত হত্যা মামলার ধার্য তারিখে বরগুনা জেলা কারাগারে থাকা আট আসামিকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এছাড়াও এ মামলায় জামিনে থাকা নিহত রিফাতের শরীফের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিও আদালতে হাজির হন।

তিনি বলেন, আজ এ মামলার প্রধান আসামি রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজির জামিন আবেদন করেন। পরে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করেন। এছাড়াও এ মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামি রাশিদুল হাসান রিশান ফরাজি, তানভীর হোসেন, অয়ালিউল্লাহ ওলি এবং মারুফ মল্লিকের জামিন আবেদন করা হয়। পরে আদালত তাদের জামিন আবেদন শুনানির জন্য শিশু আদালতে প্রেরণ করেন।

এ মামলার পলাতক অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামি মো. নাইমকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের আদেশ দিয়েছেন আদালত বলেও জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। যার ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হলে সাড়া দেশে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়।

এ ঘটনায় রিফাতের বাবা আবদুল হালিম শরীফ বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। তাতে প্রধান সাক্ষী করা হয় রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়শাকে। কিন্তু আয়শার শ্বশুর মামলার ১৮ দিন পর গত ১৩ জুলাই এই হত্যাকাণ্ডে আয়শা জড়িত এমন দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করার পর মামলাটির তদন্ত নাটকীয় মোড় নেয়।

পরবর্তীতে এ মামলায় গ্রেফতার করা হয় মিন্নিকে। আর এই মামলায় এখন পর্যন্ত গ্রেফতার হওয়া সবাই আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গত ২ জুলাই এই মামলার প্রধান আসামি সাব্বির আহম্মেদ ওরফে নয়ন বন্ড পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হন।