জেলেদের কিস্তি শোধে বাধ্য করছে এনজিও

ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২৮ কার্তিক ১৪২৬

জেলেদের কিস্তি শোধে বাধ্য করছে এনজিও

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি ৪:৫৪ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১২, ২০১৯

print
জেলেদের কিস্তি শোধে বাধ্য করছে এনজিও

প্রজনন মৌসুম নিরাপদ করতে গত ৯ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন নদী-সাগরে ইলিশ আহরণ, বিক্রি ও পরিবহন নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এ ঘোষণা অনুযায়ী বরগুনার আমতলীর উপজেলার পায়রা নদীতে মাছ শিকার করতে পারছেন না।

অনেক জেলে পরিবার ইলিশ আহরণের আগে জাল, নৌকা তৈরি ও মেরামত করার জন্য বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছেন। নদী ও সাগরে মাছ ধরে সেই ঋণ পরিশোধ করার কথা থাকলেও কিস্তি দিতে বাধ্য করছে এনজিওগুলো।

স্থানীয় জেলেরা জানান, সরকারি ঘোষণা অনুযায়ী পায়রা নদীতে জেলারা মাছ শিকার করতে পারছেন না। এ সময় সরকারের পক্ষ থেকে জেলে পরিবারের মাঝে ২০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়ে থাকে। তবে অভিযোগ আছে প্রকৃত জেলে পরিবার হওয়া সত্ত্বেও এ সুবিধা থেকে অনেক পরিবার বঞ্চিত হচ্ছে। তার ওপর অনেক জেলে পরিবার ইলিশ আহরণের আগে জাল, নৌকা তৈরি ও মেরামত করার জন্য বিভিন্ন এনজিও থেকে ঋণ নিয়েছে।

মাছ ধরে সেই ঋণ পরিশোধ করার কথা। কিন্তু অবরোধের ২২ দিন জেলেরা মাছ ধরতে না পেরে বেকার অবস্থায় থাকেন। এ সময় এনজিওগুলো তাদের দেওয়া ঋণের কিস্তি আদায় করতে জেলে পরিবারগুলোকে বাধ্য করে। এ কারণে অনেক জেলে গোপনে প্রভাবশালীদের সহায়তায় ও মৎস্য অফিসের কর্মকর্তাদের ম্যানেজ করে নদীতে মাছ শিকার করতে নামেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরা পারভীন বলেন, জেলে পরিবারকে যে এনজিও ঋণ দিয়েছে, এনজিও বিষয়ক সমন্বয় সভায় আলোচনা করা হবে। প্রজনন মৌসুমের সময়টিতে উপজেলা প্রতিটি তালিকাভুক্ত জেলে পরিবারকে ২০ কেজি করে চাল দেওয়া হবে।