আমতলীতে প্রতারণা করে ব্যাংক ঋণ

ঢাকা, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯ | ৩ কার্তিক ১৪২৬

আমতলীতে প্রতারণা করে ব্যাংক ঋণ

আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি ২:০২ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ১০, ২০১৯

print
আমতলীতে প্রতারণা করে ব্যাংক ঋণ

বরগুনার তালতলী উপজেলা অগ্রনী ব্যাংক থেকে প্রতারণা করে অন্যের জমি মর্গেজ দিয়ে সিসি ঋণ গ্রহণ করার অভিযোগ রয়েছে মেসার্স রাজ্জাক এন্টারপ্রাইজের মালিক শহীদ তালুকদারের বিরুদ্ধে। টাকা পরিশোধ না করায় ঋণের বিপরীতে দেয়া জমি নিলামে উঠেছে। এতে ভিটে-মাটি হারাতে বসেছে ১৫টি অসহায় পরিবার।

দ্রুত প্রতারণার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে নিলাম বাতিলের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

জানা গেছে, তালতলী উপজেলার হেলেঞ্চাবাড়িয়া গ্রামের রাজ্জাক তালুকদাদের ছেলে শহীদ তালুকদার মেসার্স রাজ্জাক এন্টারপ্রাইজের নামে তালতলী অগ্রনী ব্যাংক থেকে ২০১২ সালে পাঁচ লক্ষ টাকা সিসি ঋণ গ্রহণ করেন। ওই সিসি ঋণের বিপরীতে মো. শহীদ তার বাবা রাজ্জাক তালুকদারের ৭৮ নং মৌজায় ৫২,৭৭,৮০,১৯৩,১৯৭ ও জমা খারিজ ২৪১ নং খতিয়ানের কয়েক দাগে দুই একর ৭১ শতাংশ জমির মর্গেজ দেয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঋণের বিপরীতে ব্যাংকে দেয়া তফসিল সম্পত্তির দুই একর ৭১ শতাংশের জমির মধ্যে রাজ্জাক তালুকদার ১৯৯৬ সাল থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত আবদুল খালেক মুসুল্লী, মাজেদা বেগম, শাহজাহান আকন, রাহিমা বেগম ও মো. বেলাল হোসেনের কাছে এক একর ৬৭ শতাংশ জমি ঋণ গ্রহণের পূর্বেই বিক্রি করেছেন। কিন্তু ওই জমি ক্রয়কৃত মালিকরা তাদের নামে মিউটিশন করেনি। এই সুযোগে মো. শহীদ ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে ভুল বুঝিয়ে প্রতারণা করে ওই জমির মর্গেজ দিয়ে ঋণ নিয়েছেন। গত ৭ বছরে ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ না করে গা ঢাকা দেয় সে। গত ২০ বছরে ওই জমিতে ১৫টি পরিবার বসত ভিটা নির্মাণ করে করে বসবাস করে আসছে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ওই সম্পত্তি নিলামের দরপত্র আহবানের পরে ভুক্তভোগীরা বিপাকে পড়ে। ওই জমি নিলাম সম্পন্ন হলে জমিতে বসবাসরত অসহায় পরিবারগুলোকে পথে বসতে হবে এ অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

তালতলী অগ্রণী ব্যাংক শাখার ব্যাবস্থাপক মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, ঋণের টাকা পরিশোধ না করায় সুদে আসলে ১২ লক্ষ ৭৬ হাজার ৯৩২ টাকা হয়েছে। এতে ব্যাংকে দেয়া তফসীলি সম্পত্তি নিলাম দরপত্র আহ্বান করেছি। ব্যাংকে দেয়া তফসীলি সম্পত্তি রাজ্জাক তালুকদার বিভিন্ন জনের নামে বিক্রি করেছে এমন কয়েকজন আমার সাথে যোগাযোগ করেছে।