সময় সুড়ঙ্গে মহাবিপদ

ঢাকা, শনিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২০ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

সময় সুড়ঙ্গে মহাবিপদ

অর্পণ দাশগুপ্ত ৩:০৬ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ০৩, ২০২০

print
সময় সুড়ঙ্গে মহাবিপদ

গ্রীষ্মের ছুটিতে মামাবাড়ি নোয়াখালীতে বেড়াতে গিয়ে এক অদ্ভুত এবং আশ্চর্য কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলার উপক্রম হয়েছে নোবেল এবং স্নেহার। তারা তাদের শত বছরের পুরনো মামাবাড়ির চিলেকোঠায় সন্ধান পায় এক গোপন সময়-সুড়ঙ্গের ডাইমেনশনের।

সেখানে প্রবেশ করে তারা পৌঁছে গেলো দশ কোটি বছরের পুরনো সবুজ ডাইনোসারের এক অপার্থিব, আশ্চর্য জগতে। সেখানে অসাবধানতাবশত স্নেহার পায়ের চাপে একটি বন্য ইঁদুরের মৃত্যু ঘটে। ফলে দশ কোটি বছর আগের ইঁদুরটির প্রজাতি এবং তার পরের প্রজাতি এবং তার পরের প্রজাতির বিলুপ্তি সাধন হয়।

ফলে সেই ইঁদুরের অনুপস্থিতিতে ক্ষেত-খামারের ক্ষতিকারক বিভিন্ন পোকা-মাকড়ের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যায়, ফলে ফসলের উৎপাদন ব্যাহত হয়। তার মাধ্যমে সেই ফসলের উপর নির্ভরশীল তৃণভোজী প্রাণীরা বিলুপ্ত হয়ে যায়। তার ফলে একইসঙ্গে তৃণভোজী প্রাণীর মাংস খেয়ে যারা বেঁচে থাকত, সেই মাংসাশী প্রাণীরা বিলুপ্ত হয়ে যায়।

ফলে তাদের উপর নির্ভরশীল সর্বভুক আদিম গুহামানবের সংখ্যায় আশঙ্কাজনক হারে কমে গেল। কাজেই, এর ফলে গুহামানবদের পরবর্তী বংশধর, তার পরের বংশধর এবং তার পরের বংশধর... এভাবে আদিম মনুষ্যজাতির বিলোপ সাধন হয়। অর্থাৎ স্নেহার অতি সামান্য খামখেয়ালিপনার কারণে আমূল বদলে যায় পৃথিবীর ইতিহাস, সেটি মোড় নেয় সম্পূর্ণ অন্যদিকে। 

কীভাবে বদলে যাওয়া ইতিহাস অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে আবার পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছিল নোবেল এবং স্নেহা? সেটা জানা যাবে তখনই, যখন সব বাধা-বিপত্তিকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে আবার বর্তমানের পৃথিবীতে সফলভাবে প্রত্যাবর্তন ঘটবে স্নেহা এবং নোবেলের, আসো ততদিন পর্যন্ত ধৈর্যশীল হয়ে আশাহত না হয়ে অপেক্ষায় বুক বাঁধি আমরা সবাই, আশায় মত্ত থাকি এক নতুন সোনালি দিবালগ্নের সূচনায়।