গরুর হাটে সাক্ষাৎকার

ঢাকা, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ | ৮ আশ্বিন ১৪২৭

গরুর হাটে সাক্ষাৎকার

মুহা. তাজুল ইসলাম ১:২১ অপরাহ্ণ, জুলাই ২৮, ২০২০

print
গরুর হাটে সাক্ষাৎকার

প্রশ্ন : কোরবানির পশুর হাট কেমন দেখছেন?
বেসরকারি চাকরিজীবী : কী আর বলব! যদিও গরু কিনতেই এসেছিলাম কিন্তু দামের সঙ্গে পেরে না উঠতে পেরে ছাগল কেনার সিদ্ধান্ত নিলাম। এরপর ছাগলের হাটে ঢুকে দাম শুনে পাগল হওয়ার অবস্থা। এখন তাই সিদ্ধান্তে পৌঁছলাম, আমি গরুও না, ছাগলও না। এজন্য এখন শুধু মুরগি নিয়েই ভাবছি।

প্রশ্ন : আচ্ছা, আপনি কী কিনবেন? গরু, ছাগল নাকি মুরগি?
ছাত্র : বাবা আমাকে সবসময় গাধা বলেন। আমি গরু ছাগল কিনে কী করব? ঘুরতে এসেছি, সবচেয়ে বড় সাইজের গরুটার সঙ্গে কয়েকটা সেলফি তুলে বাড়ি ফিরে ফেসবুকে পোস্ট দেব। এই তো!

প্রশ্ন : কোরবানির পশুর মূল্য নিয়ে যদি কিছু বলতেন।
সরকারি চাকরিজীবী : দাম মাত্রাতিরিক্ত। বর্তমান প্রেক্ষাপটে উপরি ইনকাম নেই বললেই চলে। মানুষ সেধে কিছু দেওয়া দূরে থাকুক, ঘুষে ৫০ থেকে ৭০ পার্সেন্ট ডিসকাউন্ট দেওয়ার পরে কিংবা ফাইল আটকে রাখার পরেও মানুষের কাছ থেকে কোনো টাকা-পয়সা খসানো যাচ্ছে না। এসব বিবেচনায় আমাদের মতো গরিব চাকরিজীবীর জন্য গরুর দাম কম হওয়া উচিত ছিল।

প্রশ্ন : কোরবানির হাটের ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে যদি বলতেন!
বুদ্ধিজীবী : সবকিছু ঠিক আছে তবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা হচ্ছে না। এছাড়া গরু-ছাগলের মুখে মাস্ক নেই, মাঝে মধ্যে হাম্বা-হাম্বা, ভ্যা-ভ্যা শব্দ শোনা যাচ্ছে যা বাতাসে ছড়িয়ে ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি বৃদ্ধি করছে। বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

প্রশ্ন : গরুর হাট নিয়ে আপনার ভাবনাটা জানতে চাইছিলাম।
শিক্ষাবিদ : বলব কী আর! গরুর মাঠে গরুর ব্যবহারটা পর্যন্ত সঠিক হচ্ছে না। কোথাও দেখছি গরু আবার কোথাও-বা গোরু। হাটে ঢোকার আগে তারা গরু নাকি গোরু হিসেবে পরিচিত হবে, সেই বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি ছিল।