টুকরো রঙ্গ

ঢাকা, সোমবার, ১০ আগস্ট ২০২০ | ২৫ শ্রাবণ ১৪২৭

টুকরো রঙ্গ

মুহা. তাজুল ইসলাম ৯:৫১ পূর্বাহ্ণ, জুন ৩০, ২০২০

print
টুকরো রঙ্গ

জনাব, এই গরুর মাথায় শিং নেই কেন?
কৃষক : আপনি জানেন যে, গরুর মাথার শিংয়ে অনেক শক্তি। মাঝে মধ্যেই এই শিং দিয়ে অন্য প্রাণীদের সঙ্গে মারামারি করে। একবার তো আমাকে গুঁতা মেরে মাজা ভেঙে দিল। তিন মাস হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম, এভাবেই গরুর শিঙের কারণে অনেক মানুষ আঘাতপ্রাপ্ত হয় যা অজানাই থেকে যায়। তবে, অনেক সময় অনেক গরুর শিংই থাকে না। যাই হোক, আপনি প্রশ্ন করেছেন, এর শিং নেই কেন? আসলে এটা গরু না, ঘোড়া!

স্ত্রী স্বামীর জন্য ডিম ভাজছে।
স্বামী : সাবধান! সাবধান! দেখে কাজ করো। ডিমে মনে হয় তেল একটু কম হয়েছে। তেল ঢালো। তেল কম হলে ভালো লাগে না। তুমি তো দেখছি অনেক ডিম একসঙ্গে ভাজছ। এভাবে কি ভালোভাবে ডিম ভাজা হয়? আমার মনে হয় ডিমটা এখন উল্টানো দরকার। তেলটা কোথায়! তেল আনো। আবার দেখো তেলটা বেশি দিয়ে দিও না। দেখে মনে হচ্ছে, তুমি লবণটাও তো দাওনি। প্রায়ই দেখি খাবারে লবণ ঠিক মতো দাও না। আবার অনেক সময় বেশি লবণ দিয়ে দাও।
স্ত্রী : সমস্যা কী? তোমার কি মনে হয়, আমি ডিম ভাজতে পারি না?
স্বামী : আসলে আমি তোমাকে এটা বোঝাতে চাইছিলাম, গাড়ি চালানোর সময় তুমি এমনটি করলে আমার কেমন লাগে!

অফিসের বস, ম্যানেজার আর পিয়ন লাঞ্চ টাইমে

পার্ক দিয়ে হাঁটার সময় আলাদিনের চেরাগ হাতে পেল। চেরাগ ঘষা দিতেই আলাদিনের দৈত্য বের হয়ে বলল, আমি একসঙ্গে তিনটি ইচ্ছে পূরণ করতে পারি। যেহেতু আপনারা তিনজন, তাই প্রত্যেকের একটি করে ইচ্ছে পূরণ করা হবে।
ম্যানেজার বলল, আমি সুইজারল্যান্ডে যেতে চাই। এত কাজ আর ভালো লাগে না। একটু শান্তি চাই।
তার ইচ্ছে শুনে দৈত্য তাকে সুইজারল্যান্ড পাঠিয়ে দিল।
পিয়ন বলল, আমি আমেরিকা চলে যেতে চাই। সারা জীবন শুধু কষ্টই করলাম, আর ভালো লাগে না।
দৈত্য তাকে আমেরিকায় পাঠিয়ে দিল।
বস অবশেষে বলল, আমি চাই ওই দুইটা সুইজারল্যান্ড আর আমেরিকা ঘুরে এসে লাঞ্চ শেষে যেন আবার সময়মতো অফিসে উপস্থিত হয়। অনেক ঘোরা হয়েছে, আর নয়!
স্ত্রী : জানো, আজ রাতে আমি স্বপ্নে দেখেছি, তুমি জুয়েলারি শপে গিয়ে আমার জন্য ডায়মন্ডের রিং কিনেছ।
স্বামী : ইন্টারেস্টিং, আমিও তো একই স্বপ্ন দেখেছি।
স্ত্রী : তাহলে তুমি আমাকে ডায়মন্ডের রিং কিনে দিচ্ছ?
স্বামী : অবশ্যই কিনে দেব। কিন্তু তোমার বাবার জন্য একটু অপেক্ষা করতে হবে।
স্ত্রী : কেন? বাবাকেও বুঝি কিছু কিনে দেবে?
স্বামী : জি না। আসলে স্বপ্নে দেখলাম বিলটি তোমার বাবা দিয়েছে!

মোকসেদ : দোস্ত, বেশ কিছু টাকা জমিয়ে ফেলেছি। ভাবছি এ টাকা দিয়ে গরু কিনব নাকি মোটরসাইকেল!
মোখলেস : এটা দেখতে কেমন দেখায় না, যদি মোটরসাইকেলে না চড়ে গরুর পিঠে চড়িস।
মোকসেদ : তা ঠিক কিন্তু গরুর পরিবর্তে যদি মোটরসাইকেলে দুধ দোহন করি, তাহলে বিষয়টি একটু অন্যরকম হয়ে যায় না!

১ম ব্যক্তি : ভাই, পাগলের মতো দৌড়াচ্ছেন কেন?
২য় ব্যক্তি : সিংহ খাঁচা থেকে পালিয়েছে।
১ম ব্যক্তি : তো কী হয়েছে? আপনার ভাব দেখে মনে হচ্ছে যেন ওটা আপনার পিছু নিয়েছে।
২য় ব্যক্তি : তাহলে কি আমি এমনি এমনি দৌড়াচ্ছি? পেছনের দিকে একটু চেয়ে দেখেন কী আসছে!

রোগী : ডাক্তার সাহেব, আমার না অনেক ভয় করছে। জানেন, এটা না আমার জীবনের প্রথম অপারেশন। এর আগে কখনোই আমি অপারেশন থিয়েটারে আসিনি।
ডাক্তার : আপনি একদম চিন্তা করবেন না। এটা আমারও জীবনের প্রথম অপারেশন। আমিও এখানে আগে কোনোদিন আসিনি!a