সরস কৌতুক

ঢাকা, শনিবার, ৬ জুন ২০২০ | ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

সরস কৌতুক

সোমের কৌমুদী ৭:১৯ অপরাহ্ণ, মে ০৪, ২০২০

print
সরস কৌতুক

এক ভাবের কবি ব্যাংকে গেছেন ঋণ নেওয়ার জন্য। ঋণের আবেদনপত্র পড়েই ব্যাংক কর্মকর্তার চোখ কপালে উঠে গেল।
ব্যাংক কর্মকর্তা : আপনি কীসের জন্য ঋণের আবেদন করেছেন!
কবি : কেন? সব তো লেখাই আছে।
ব্যাংক কর্মকর্তা : এ তো আজব কারণ! এমন ঘটনা জীবনে তো শুনিনি যে কেউ সম্মাননা পাওয়ার জন্য ব্যাংক ঋণের আবেদন করে!
কবি : ঠিকই তো আছে। ঋণ নিয়ে একটা সংগঠন করব। ভূমি ক্রয়, ভবন নির্মাণ করার অর্থের জন্যই তো ঋণের আবেদন।
ব্যাংক কর্মকর্তা : তাহলে আবেদনপত্রে সম্মাননা লিখেছেন কেন?
কবি : আসল উদ্দেশ্যের কথাটাই তো লিখেছি। সংগঠন করলে বিনিময় প্রথায় অনেক সম্মাননা মেলে, তাই!

দুই.
এক প্রকৃত কবি ও এক ভাবের কবির মধ্যে কথা হচ্ছেÑ
ভাবের কবি : আপনি মোটেই সাহসী কবি নন।
প্রকৃত কবি : কেন?
ভাবের কবি : আপনি কখনই ‘হাতি আকাশে ওড়ে’ ধরনের চরণ লেখার সাহস রাখেন না।
প্রকৃত কবি : কবিতার প্রতিটি চরণ তো একেকটা বাক্য আর যেটি বাক্য হওয়ার যোগ্যতা রাখে না সেটা লিখি কীভাবে?
ভাবের কবি : এ জন্যই তো বললাম আপনি মোটেই সাহসী নন। কবিদের ঠিক-বেঠিক বলে কিছু নেই। তারা যেটি লিখবে সেটিই ঠিক!
তিন.
পত্রিকার সাহিত্য সাময়িকীর বিভাগীয় সম্পাদক তার এক বন্ধুর সঙ্গে কথা বলছেন।
সম্পাদক : আমি যত পারি বেশি সংখ্যক লেখকের লেখা প্রকাশ করার চেষ্টা করি।
বন্ধু : কেন, কেন?
সম্পাদক : অনেকের প্রিয় হওয়ার জন্য।
বন্ধু : লেখা ছাপালেই কি তুই তাদের প্রিয় হবি!
সম্পাদক : হুম। দেখিস না, লেখা ছাপা হলেই সবাই ছাপানো কপির ছবি ফেসবুকে দিয়ে লেখেÑ ধন্যবাদ প্রিয় সম্পাদককে কিংবা ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রিয় সম্পাদকের প্রতি।
চার.
মৌরী : বল তো, দুটি ভিন্ন পত্রিকার বিভাগীয় সম্পাদকদ্বয়ের সম্পর্ক থেকে ইতিহাসের কোন বিষয়টা সম্পর্কে ধারণা নিতে পারি?
লুবাবা : বিনিময় প্রথা বিষয়ে!
পাঁচ.
দুই বন্ধুর অনেকদিন পর দেখা। কুশল বিনিময়ের পরÑ
১ম বন্ধু : কী রে, তোকে চিন্তিত মনে হচ্ছে!
২য় বন্ধু : হুম, ভাবছি আমি কবি হব।
১ম বন্ধু : তুই কবি হবি! জীবনে কোনোদিন কবিতা লিখেছিস বলে তো শুনিনি।
২য় বন্ধু : হুম, এই জন্যই তো ভাবছি কোনো আঞ্চলিক পত্রিকার সাহিত্য পাতার সম্পাদক হব কিংবা সাহিত্য ম্যাগাজিন সম্পাদনা করব!
পুনশ্চ
সম্মানিত পাঠক, আপনি কি একজন কবি বা সম্পাদক? যদি হয়ে থাকেন তাহলে প্রশ্ন, কৌতুকগুলো পড়ে আপনার কি রাগ হচ্ছে? যদি আপনার রাগ না ওঠে তাহলে আপনি প্রকৃতই কবি বা সম্পাদক। আর যার রাগ হচ্ছে তার জন্য উপদেশÑ রাগকে এড়িয়ে চলুন। রাগ স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।