ভ্রমণ রঙ্গ

ঢাকা, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২০ | ২৪ চৈত্র ১৪২৬

ভ্রমণ রঙ্গ

মুহা. তাজুল ইসলাম ১:৫৪ অপরাহ্ণ, মার্চ ১০, ২০২০

print
ভ্রমণ রঙ্গ

একজন ৮৩ বছরের কানাডিয়ান ভদ্রলোক বিমানে করে প্যারিস অবতরণ করলেন। ফ্রেঞ্চ ইমিগ্রেশন ডেস্কে অফিসার তার কাছে পাসপোর্ট চাইলে ভদ্রলোক ব্যাগ থেকে বের করতে কয়েক মিনিট সময় ব্যয় করলেন।

‘আপনি এর আগে ফ্রান্সে এসেছিলেন?’
কানাডিয়ান ভদ্রলোক মাথা ঝাঁকিয়ে হ্যাঁ সূচক উত্তর দিলেন।
‘তাহলে আপনার জানা উচিত, ইমিগ্রেশনে আসার পূর্বে পাসপোর্ট হাতে রাখতে হয়।’
কানাডিয়ান ভদ্রলোক উত্তর দিলেন, ‘আগেরবার যখন এখানে এসেছিলাম, আমাকে পাসপোর্ট দেখাতে হয়নি।’
‘অসম্ভব। কানাডার নাগরিকদের ফ্রান্সের যে কোনো এয়ারপোর্টেই অবতরণের সময় সবসময় পাসপোর্ট দেখাতে হয়।’
কানাডিয়ান ভদ্রলোক, ফ্রেঞ্চ ইমিগ্রেশন অফিসারের দিকে ভ্রু কুচকে বললেন, যখন আমি ১৯৪৪ সালে বিশ^যুদ্ধের সময় জুনো বিচে যাওয়ার জন্য এলাম, তখন কোনো ফ্রেঞ্চম্যানকে পাসপোর্ট চেক করার জন্য এখানে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখিনি।
এলোমেলো, অগোছালো এবং রঙকরা চুলের মোটা একজন মহিলা বিমানের প্রথম সারির একটি সিটে এসে বসে পড়লেন। বিমানের কেবিন ক্রু, টিকেট চেক করতে এসে মহিলাকে বললেন, ‘ম্যাডাম, আপনার টিকিট বলছে কোচ টিকেট কিন্তু আপনি ফার্স্ট ক্লাসে বসে আছেন। দয়া করে বিমানের পেছন দিকের সিটে গিয়ে বসুন।’
মহিলা উত্তর দিলেন, ‘আমি সুশ্রী, স্মার্ট এবং ভালো চাকরি করি। জ্যামাইকা পৌঁছানোর আগ পর্যন্ত এ সিট ছাড়ব না।’
কেবিন ক্রু তাকে অনেক বুঝিয়েও ব্যর্থ হলেন। এরপর আরও কয়েকজন কেবিন ক্রু এলেন, আগেরজনের মতো তারা ওই মহিলাকে সিট ছেড়ে দেওয়ার ব্যাপারে রাজি করাতে পারলেন না। অবশেষে কো পাইলট এলেন, কানে কানে মহিলাকে একটা কথা বলতেই সবার পিছনের সিটে গিয়ে বসলেন।
কেবিন ক্রুরা অবাক হয়ে পাইলটকে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘ওই মহিলাকে এমন কী বলা হয়েছে যে তিনি সিট ছেড়ে দিয়ে পেছনের সিটে বসেছেন?’
কো-পাইলট বললেন, ‘আমি শুধু মহিলাকে এ কথাই বলেছি, বিমানের প্রথম অর্ধেক জ্যামাইকা যাবে না, চায়না যাচ্ছে।’

বিদেশি ভাষা থেকে অনূদিত