শোনা বনাম সোনা

ঢাকা, শনিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২০ | ৪ মাঘ ১৪২৬

শোনা বনাম সোনা

অভিজিত বড়ুয়া বিভু ৫:১৮ অপরাহ্ণ, ডিসেম্বর ০৯, ২০১৯

print
শোনা বনাম সোনা

শোনা কথায় কান দিতে নেই। আমরা কানকথা ঠিকই শুনি। শুনলে মন্দ কী! শুনলে কৌতূহল থাকে না। বিচার বিবেচনা যদিও অন্তর্গত। শোনা আর না শোনা নিয়ে সেদিন এক মজার কাণ্ড হলো। হানিফ সাহেব তার এক কাস্টমারকে ফোনে বললেন, ‘সেদিন আপনি কী বলেছেন ঠিক বুঝতে পারিনি। আমার কথাটাও বোধহয় আপনি বোঝেননি। আমাদের একে অন্যের শোনায় সমস্যা ছিল।’

এসব কথা শুনে পাশে বসা অন্য সহকর্মীরা হেসে কূল পায় না। শুভঙ্কর বাবু বললেন, ‘কী হানিফ ভাই, আপনার আবার সোনায় সমস্যা হলো কবে থেকে? তিন পোলার বাপ হয়েছেন! আপনি তো দেখছি ইজ্জত মারবেন!’ ‘আরে ভাই শোনা। সোনার সমস্যা না!’

সোনা নিয়ে সাকা চৌধুরী একবার কোনো এক কারণে বলেছিলেন, ‘আমার এত কিছু থাকতে উনি আমার সোনা-স্বর্ণ নিয়ে টানাটানি করছেন কেন?’

সম্প্রতি পেঁয়াজের ডাবল সেঞ্চুরি হওয়ায় এক সোনা মিয়ার গল্প মনে পড়ল। সোনা মিয়ার এত পাওয়ার ছিল যে, সময় অসময় ইয়ে খাড়াইয়া যাইত। কোনো একদিন বিশেষ সময়ে ঠিক সুবিধা করতে পারছিল না। লক্ষ্যবস্তু গুটিশুটি হয়ে শুয়ে আছে তো আছেই। কোনোভাবে ফাঁদে ফেলতে পারছে না।

অবশেষে সোনা মিয়া বলল, ‘তুই তো দেখছি পেঁয়াজ খেয়ে শুয়েছিস। ছি ছি, দুর্গন্ধ। ওদিকে সরে ঘুমা!’ বাকিটা ইতিহাস। আসলে আমরা কেউই বেরসিক নই। উচ্চারণগত কারণে শোনা আর সোনার মধ্যে তালগোল পাকিয়ে ফেলি আর কি।